১৪/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৩৫ - ফজরের আলো ও সাহরি
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই
স্তম্ভের মতো আলো নয়, বিস্তৃত ফজর
সহীহ মুসলিম : ২৪৩৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৩৫
وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَوَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ يَغُرَّنَّكُمْ أَذَانُ بِلاَلٍ وَلاَ هَذَا الْبَيَاضُ - لِعَمُودِ الصُّبْحِ - حَتَّى يَسْتَطِيرَ هَكَذَا».
সামুরাহ্ ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখা ও যা স্তম্ভের ন্যায় দেখা যায়, যতক্ষণ না তা বিস্তৃত উদ্ভাসিত হবে।
ই.ফা. ২৪১২, ই.সে. ২৪১২
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, বিলালের আযান এবং স্তম্ভের মতো দেখা শুভ্র রেখা যেন কাউকে ধোঁকায় না ফেলে। যতক্ষণ না সেই আলো বিস্তৃতভাবে প্রকাশ পায়, ততক্ষণ সেটিকে ফজরের স্পষ্ট আলামত হিসেবে ধরা হয়নি। এখানে সাহরি শেষ সময় বোঝার একটি সহজ শিক্ষা আছে। সরু বা উল্লম্ব আলো দেখে তাড়াহুড়া করে পানাহার বন্ধ করা হাদিসের নির্দেশনা নয়। বরং আকাশে আলো ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি লক্ষ্য করতে বলা হয়েছে। রোজাদারের জন্য এই শিক্ষা খুব দরকারি, কারণ সিয়ামের শুরু সময় ভুল হলে মনে সংশয় তৈরি হতে পারে। হাদিসটি সাহরি, ফজর, সুবহে সাদিক এবং আযানের বিষয়কে একসঙ্গে বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্তম্ভের মতো শুভ্র রেখা দেখে ধোঁকায় পড়া উচিত নয়।
- ফজরের আলো বিস্তৃত হয়ে প্রকাশ পায়।
- বিলালের আযান সাহরি বন্ধের শেষ সংকেত নয়।
- রোজার সময় বুঝতে স্পষ্ট আলামত দেখা জরুরি।
