১৪/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৩৮ - ফজরের আলামত নিয়ে পুনর্বর্ণনা
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই
ফজরের আলামত: একই শিক্ষার পুনরায় বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৪৩৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৩৮
وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي سَوَادَةُ بْنُ حَنْظَلَةَ، الْقُشَيْرِيُّ قَالَ سَمِعْتُ سَمُرَةَ بْنَ جُنْدَبٍ، - رضى الله عنه - يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ. فَذَكَرَ هَذَا.
সামুরাহ্ ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অনুরূপ আলোচনা করেছেন।
ই.ফা. ২৪১৫, ই.সে. ২৪১৪[ক]
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সংক্ষেপে বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) অনুরূপ আলোচনা করেছেন। অর্থাৎ আগের বর্ণনার মতোই বিলালের আহ্বান ও শুভ্র রেখা দেখে ধোঁকায় না পড়ার শিক্ষা এখানে যুক্ত। রোজাদারের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সাহরি শেষ করা ও রোজা শুরু করা ফজরের সঠিক সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। নবীজির নির্দেশনা হলো—ফজর স্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত অস্পষ্ট আলো বা আগাম আযানকে চূড়ান্ত ধরে নেওয়া যাবে না। এই পুনর্বর্ণনা একই বিষয়ের গুরুত্বকে আরও জোরালো করে। এতে বোঝা যায়, সাহাবীরা ফজরের আলামত ও সাহরি সময়ের বিষয়টি যত্নের সঙ্গে বর্ণনা করেছেন, যাতে মুসলিমরা আমলে ভুল না করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিষয়ের পুনর্বর্ণনা নির্দেশনার গুরুত্ব বাড়ায়।
- বিলালের আহ্বান শুনে ধোঁকায় পড়া যাবে না।
- ফজর স্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত সাহরি সময়ের আলোচনা প্রাসঙ্গিক।
- সিয়ামের শুরু সময় সম্পর্কে সচেতন থাকা দরকার।
