১৪/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৪৫ - ইফতার ত্বরান্বিত করার শিক্ষা
সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব
ইফতার ত্বরান্বিত করা: একই মর্মের বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৪৪৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৪৫
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ سُفْيَانَ، كِلاَهُمَا عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمِثْلِهِ.
সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ২৪২২, ই.সে. ২৪২১
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার মতো একই শিক্ষা এসেছে—ইফতার সময় হলে তা বিলম্ব না করে করা। সংক্ষিপ্ত অনুবাদে “অনুরূপ বর্ণনা করেছেন” বলা হলেও মূল বক্তব্য হলো, মানুষ যতদিন শীঘ্র ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। এতে বোঝা যায়, ইফতার নিয়ে অযথা দেরি করার প্রবণতা ঠিক নয়। রোজাদারের জন্য সময় জানা, সূর্যাস্ত নিশ্চিত হওয়া এবং এরপর ইফতার করা—এই সরল আমল এখানে উঠে এসেছে। হাদিসটি ইফতার, রোজা ভাঙা, নবীজির আমল এবং কল্যাণের ধারণাকে একসঙ্গে তুলে ধরে। তবে এখানে এমন কোনো অতিরিক্ত কথা নেই যে নির্দিষ্ট খাবার দিয়েই ইফতার করতে হবে; মূল শিক্ষা হলো সময় হলে বিলম্ব না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইফতার সময় হলে তা ত্বরান্বিত করা নববী নির্দেশনার সঙ্গে মিলে।
- একই মর্মের বর্ণনা ইফতারের গুরুত্বকে স্মরণ করায়।
- রোজার সময় শেষ হলে অযথা অপেক্ষা করা উচিত নয়।
- হাদিসের শিক্ষা সহজ ও দৈনন্দিন আমলযোগ্য।
