১৪/১৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮০ - ফজরে জানাবাত ও রোজা
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে
ফজরের সময় জানাবাত হলে রোজার বিধান
সহীহ মুসলিম : ২৪৮০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৮০
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَأَبِي، بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ ﷺ قَالَتْ قَدْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يُدْرِكُهُ الْفَجْرُ فِي رَمَضَانَ وَهُوَ جُنُبٌ مِنْ غَيْرِ حُلُمٍ فَيَغْتَسِلُ وَيَصُومُ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রমজান মাসে ইহতিলাম ছাড়াই নবী (ﷺ)-এর জানাবাত অবস্থায় ফজরের সালাতের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সাওম পালন করতেন।
ই.ফা. ২৪৫৭, ই.সে. ২৪৫৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বলেন, রমজান মাসে ইহতিলাম ছাড়া রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর জানাবাত অবস্থায় ফজরের সালাতের সময় হয়ে যেত। এরপর তিনি গোসল করতেন এবং সাওম পালন করতেন। বর্ণনাটি খুব স্পষ্টভাবে জানায় যে জানাবাত অবস্থায় ফজর হয়ে যাওয়া মানেই সাওম বাতিল নয়। এখানে বিষয়টি ইহতিলাম ছাড়া বলা হয়েছে, অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরজ হওয়ার অবস্থা বোঝানো হয়েছে। যারা জানতে চান—ফজরের আগে গোসল না করলে রোজা হবে কি, জানাবাত অবস্থায় রোজা রাখা যাবে কি, রমজানে গোসল ফরজ হলে কী করব—তাদের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। তবে হাদিসটি শুধু সাওমের কথা বলেছে; নামাজের জন্য গোসলের প্রয়োজনীয়তা আলাদা বিষয়, যা এখানে বিস্তারিত আলোচিত হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাবাত অবস্থায় ফজর হলেও নবী صلى الله عليه وسلم সাওম পালন করতেন।
- ফজরের পর গোসল করে সাওম চালিয়ে নেওয়ার বর্ণনা এসেছে।
- দ্বীনি বিষয়ে স্পষ্ট বর্ণনা থাকলে সন্দেহ কমে যায়।
- হাদিসের ভাষা যতটুকু বলে, ততটুকুই বলা উচিত।
