১৪/১৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮১ - জানাবাত ও কাযা নয়
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে
জানাবাত অবস্থায় ভোর হলে সাওম ভাঙে না
সহীহ মুসলিম : ২৪৮১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৮১
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، - وَهُوَ ابْنُ الْحَارِثِ - عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ الْحِمْيَرِيِّ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ، حَدَّثَهُ أَنَّ مَرْوَانَ أَرْسَلَهُ إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ - رضى الله عنها - يَسْأَلُ عَنِ الرَّجُلِ يُصْبِحُ جُنُبًا أَيَصُومُ فَقَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ جِمَاعٍ لاَ مِنْ حُلُمٍ ثُمَّ لاَ يُفْطِرُ وَلاَ يَقْضِي .
আবূ বাক্র (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা মারওয়ান তাঁকে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের অবস্থায় ভোর হলো, সে সাওম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ইহতিলাম ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরজ হওয়া অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সাওম ভঙ্গও করতেন না এবং সাওমের কাজাও করতেন না।
ই.ফা. ২৪৫৮, ই.সে. ২৪৫৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মারওয়ান একজনকে উম্মু সালামা (রাঃ)-এর কাছে পাঠান জানতে—যার জানাবাত অবস্থায় ভোর হয়, সে কি সাওম পালন করবে? উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর ইহতিলাম ছাড়া স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরজ অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সাওম ভঙ্গ করতেন না এবং কাযাও করতেন না। এই বর্ণনায় বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। শুধু সাওম পালন করতেন বলা হয়নি; বরং ভঙ্গ করতেন না এবং কাযা করতেন না—এ কথাও এসেছে। তাই যারা জানাবাত অবস্থায় রোজা, ফজরের পর গোসল, রমজানে গোসল ফরজ—এসব বিষয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব সরাসরি। হাদিসটি রোজার বিষয়ে অযথা দুশ্চিন্তা কমায়, তবে নামাজের জন্য পবিত্রতার বিষয় আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাবাত অবস্থায় ভোর হলে নবী صلى الله عليه وسلم সাওম ভঙ্গ করতেন না।
- এ অবস্থায় সাওমের কাযা করতেন না—এ কথাও বর্ণনায় এসেছে।
- দ্বীনি প্রশ্নে যিনি জানেন, তাঁর কাছে জানতে চাওয়া উচিত।
- সাওমের বিধান বুঝতে নির্দিষ্ট বর্ণনার ভাষা গুরুত্বপূর্ণ।
