১৪/১৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮২ - রমজানে জানাবাত ও সাওম
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে
রমজানে জানাবাত অবস্থায় সাওম রাখার বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৪৮২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৮২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي، بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ عَنْ عَائِشَةَ، وَأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجَىِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُمَا قَالَتَا إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَيُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ جِمَاعٍ غَيْرِ احْتِلاَمٍ فِي رَمَضَانَ ثُمَّ يَصُومُ .
নাবী (ﷺ) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁরা উভয়ই বলেন, রমজান মাসে ইহ্তিলাম ছাড়াই স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাতের অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ভোর হতো, এরপর তিনি সাওম পালন করতেন।
ই.ফা. ২৪৫৯, ই.সে. ২৪৫৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) ও উম্মু সালামা (রাঃ) দুজনেই বলেন, রমজান মাসে ইহতিলাম ছাড়া স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর ভোর হতো, এরপর তিনি সাওম পালন করতেন। এখানে দুইজন উম্মুল মুমিনীনের একই সাক্ষ্য এসেছে। তাই জানাবাত অবস্থায় ফজর হয়ে গেলে রোজা হবে কি না—এই প্রশ্নে হাদিসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বর্ণনায় রমজান মাসের কথাও স্পষ্ট আছে। যারা গোসল ফরজ অবস্থায় রোজা, ফজরের পর গোসল, জানাবাত অবস্থায় সাওম—এসব বিষয়ে খোঁজ করেন, তারা এই হাদিস থেকে মূল শিক্ষা পাবেন। তবে হাদিসের সীমা হলো সাওমের বিষয়; এখানে অন্যান্য মাসআলা বিস্তারে বলা হয়নি। তাই যতটুকু টেক্সটে আছে, ততটুকুই নিশ্চিতভাবে বলা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানে জানাবাত অবস্থায় ভোর হলেও নবী صلى الله عليه وسلم সাওম রাখতেন।
- আয়েশা ও উম্মু সালামা (রাঃ)-এর একই সাক্ষ্য বিষয়টি স্পষ্ট করে।
- সাওমের বিষয়ে অযথা সন্দেহ না করে প্রমাণ দেখা উচিত।
- হাদিসের ভাষা অনুযায়ী সীমিত ও সতর্ক ব্যাখ্যা করা দরকার।
