১৪/১৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮৯ - সাওম ভাঙলে তিন কাফফারা
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্ফারাহ আদায় করতে হবে
সাওম ভাঙলে কাফফারার তিন পথ
সহীহ মুসলিম : ২৪৮৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৮৯
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، حَدَّثَهُ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ أَمَرَ رَجُلاً أَفْطَرَ فِي رَمَضَانَ أَنْ يُعْتِقَ رَقَبَةً أَوْ يَصُومَ شَهْرَيْنِ أَوْ يُطْعِمَ سِتِّينَ مِسْكِينًا .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি রমজানের সাওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে নবী (ﷺ) তাকে নির্দেশ দিলেন, হয় তো সে একটি গোলাম আযাদ করবে অথবা দু’মাস সাওম পালন করবে অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে।
ই.ফা. ২৪৬৬, ই.সে. ২৪৬৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রমজানের সাওম ভাঙার কাফফারা খুব পরিষ্কারভাবে তিনভাবে এসেছে। এক ব্যক্তি রমযানের সাওম ভেঙে ফেললে নবী (صلى الله عليه وسلم) তাকে নির্দেশ দেন—সে একটি গোলাম আযাদ করবে, অথবা দুই মাস সাওম পালন করবে, অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে। বর্ণনার ভাষায় ‘অথবা’ শব্দ এসেছে, যা কাফফারার বিভিন্ন পথকে সামনে আনে। তবে একই বিষয়ের অন্য বর্ণনায় ব্যক্তির সামর্থ্য যাচাই করার কথাও পাওয়া যায়। এই হাদিসের সহজ শিক্ষা হলো, রমজানের সাওমের মর্যাদা অনেক বড়। ইচ্ছাকৃতভাবে সাওম ভেঙে ফেললে তা অবহেলার বিষয় নয়। বরং বান্দাকে দায়িত্ব নিয়ে কাফফারা আদায়ের পথে ফিরতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমযানের সাওম ভাঙার জন্য নির্দিষ্ট কাফফারা আছে।
- এই বর্ণনায় গোলাম আযাদ, দুই মাস সাওম এবং ষাট মিসকীনকে খাবারের কথা এসেছে।
- সাওমের মর্যাদা রক্ষায় মুসলিমকে সতর্ক থাকতে হয়।
- ভুল হলে তা সংশোধনের জন্য শরীয়তসম্মত পথ গ্রহণ করতে হয়।
