১৪/১৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮৮ - সাওম ভঙ্গের প্রথম কাফফারা
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্ফারাহ আদায় করতে হবে
সাওম ভঙ্গের কাফফারায় গোলাম আযাদ
সহীহ মুসলিম : ২৪৮৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৮৮
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَنَّ رَجُلاً، أَفْطَرَ فِي رَمَضَانَ فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنْ يُكَفِّرَ بِعِتْقِ رَقَبَةٍ . ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ عُيَيْنَةَ .
যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রমজানের সাওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে এর কাফ্ফারাহ হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
ই.ফা. ২৪৬৫, ই.সে. ২৪৬৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রমজানের সাওম ভাঙার কাফফারা নিয়ে একই ঘটনার আরেকটি বর্ণনা এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, এক ব্যক্তি রমজানের সাওম ভেঙে ফেলেছিল। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে কাফফারা হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দেন। এরপর বর্ণনাকারী জানান, অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, রমজানের সাওম ভঙ্গ করলে তা শুধু ব্যক্তিগত অনুশোচনার বিষয় নয়; এর জন্য নির্ধারিত কাফফারা আছে। এই হাদিসে কাফফারার প্রথম ধাপটি স্পষ্টভাবে এসেছে—গোলাম আযাদ করা। অন্য বর্ণনায় একই ঘটনার বাকি ধাপগুলোও এসেছে। তাই এই হাদিসকে রমজানের সাওম ভঙ্গের কাফফারা বোঝার গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের সাওম ভাঙলে কাফফারার বিধান আছে।
- এই বর্ণনায় কাফফারার প্রথম ধাপ হিসেবে গোলাম আযাদের কথা এসেছে।
- একই ঘটনার একাধিক বর্ণনা মূল বিষয়কে আরও পরিষ্কার করে।
- সাওম ভঙ্গের মতো বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশই অনুসরণীয়।
