১৪/১৬. অধ্যায়ঃ
সফরের কোন কাজের দায়িত্ব পেলে সিয়াম ভঙ্গকারীর প্রতিদান প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম : ২৫১৪
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৫১৪
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَبِيعَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي قَزَعَةُ، قَالَ أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ - رضى الله عنه - وَهُوَ مَكْثُورٌ عَلَيْهِ فَلَمَّا تَفَرَّقَ النَّاسُ عَنْهُ قُلْتُ إِنِّي لاَ أَسْأَلُكَ عَمَّا يَسْأَلُكَ هَؤُلاَءِ عَنْهُ . سَأَلْتُهُ عَنِ الصَّوْمِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ سَافَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى مَكَّةَ وَنَحْنُ صِيَامٌ قَالَ فَنَزَلْنَا مَنْزِلاً فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّكُمْ قَدْ دَنَوْتُمْ مِنْ عَدُوِّكُمْ وَالْفِطْرُ أَقْوَى لَكُمْ " . فَكَانَتْ رُخْصَةً فَمِنَّا مَنْ صَامَ وَمِنَّا مَنْ أَفْطَرَ ثُمَّ نَزَلْنَا مَنْزِلاً آخَرَ فَقَالَ " إِنَّكُمْ مُصَبِّحُو عَدُوِّكُمْ وَالْفِطْرُ أَقْوَى لَكُمْ فَأَفْطِرُوا " . وَكَانَتْ عَزْمَةً فَأَفْطَرْنَا ثُمَّ قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُنَا نَصُومُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ .
কাযা’আহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা আমি আবু সাঈদ আল খুদরি (রাঃ) এর নিকট গেলাম। তাঁর নিকট মানুষের খুব ভীড় ছিল। যখন লোকজন পৃথক হয়ে এদিক ওদিক চলে গেল, তখন আমি বললাম, আমি আপনার নিকট ঐসব কথা জিজ্ঞেস করব না যা লোকেরা জিজ্ঞেস করেছে। আমি তাঁকে সফরের অবস্থায় সাওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম।তিনি বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সাওমরত অবস্থায় মক্কার দিকে রওনা করলাম। এরপর একস্থানে আমরা অবতরণ করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “এখন তোমরা শত্রুদের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছ। এখন সাওম ভঙ্গ করাই তোমাদের জন্য শক্তিশালী থাকার উপায় এবং এটা তোমাদের জন্য বিশেষ এক অবকাশ।” তখন আমাদের কতক লোক সাওম পালন করল, আবার কতক লোক ইফতার করল।এরপর আমরা অন্য এক স্থানে অবতরণ করলাম। তখন তিনি বললেন, “ভোরেই তোমরা শত্রুর মুকাবিলা করবে। সুতরাং ইফতারই তোমাদের জন্য শক্তি বর্ধক। তাই তোমরা ইফতার কর।” রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর এ নির্দেশ অবশ্য পালনীয় ছিল। তাই আমরা সকলেই সাওম ভঙ্গ করলাম। এরপর আমরা দেখেছি, আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সফরের অবস্থায় সাওম পালন করতাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৯১, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪৯০
