১৪/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫১৫ - সফরে সাওমে ইচ্ছার অবকাশ
ভ্রমণকালে সিয়াম রাখা ও না রাখার ইখতিয়ার প্রসঙ্গে
সফরে সাওম: চাইলে রাখো, চাইলে ছাড়ো
সহীহ মুসলিম : ২৫১৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৫১৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ سَأَلَ حَمْزَةُ بْنُ عَمْرٍو الأَسْلَمِيُّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَنِ الصِّيَامِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ «إِنْ شِئْتَ فَصُمْ وَإِنْ شِئْتَ فَأَفْطِرْ».
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হামযাহ্ ইবনু আমর আল আসলামী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে সফরের অবস্থায় সাওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে সাওম পালন কর, আর যদি ইচ্ছা হয় তবে সাওম ছেড়ে দাও।
ই. ফা.২৪৯২, ই.সে. ২৪৯১
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হামজা ইবন আমর আল আসলামী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সফরের অবস্থায় সাওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাকে সহজ ভাষায় বলেন, যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে সাওম পালন কর, আর যদি ইচ্ছা হয় তবে সাওম ছেড়ে দাও। এই বর্ণনায় সফরে সাওমের ক্ষেত্রে সহজতা ও ব্যক্তিগত সামর্থ্যের বিষয়টি স্পষ্ট। হাদিসে কাউকে একভাবে বাধ্য করা হয়নি। বরং সফরের অবস্থায় মানুষ নিজের অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারে—সাওম রাখবে, নাকি ছাড়বে। এটি রমজানে সফরে রোজা রাখা নিয়ে অনেক মানুষের প্রশ্নের সুন্দর উত্তর। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইসলামের বিধান মানুষের কষ্ট ও বাস্তব অবস্থাকে বিবেচনা করে। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজের শক্তি, সফরের কষ্ট এবং দায়িত্ব বুঝে নেওয়া দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরে সাওম রাখা বা না রাখার বিষয়ে অবকাশ আছে।
- নিজের সামর্থ্য বুঝে আমল করা ইসলামের সহজতার অংশ।
- নবী صلى الله عليه وسلم প্রশ্নের উত্তর সহজ ও পরিষ্কারভাবে দিয়েছেন।
