১৪/২৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫৭৭ - রমজানের কাযা সিয়াম
শা‘বান মাসে রামাদানের সিয়ামের ক্বাযা
রমজানের কাযা সিয়াম শাবানে আদায়ের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৫৭৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৫৭৭
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي، سَلَمَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - تَقُولُ كَانَ يَكُونُ عَلَىَّ الصَّوْمُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَسْتَطِيعُ أَنْ أَقْضِيَهُ إِلاَّ فِي شَعْبَانَ الشُّغُلُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
“আমার রমজান মাসের সিয়াম অবশিষ্ট থেকে যেত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)–এর খিদমতে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি শা’বান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে তা আদায় করার সুযোগ পেতাম না।”
ই.ফা. ২৫৫৪, ই.সে. ২৫৫৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রা. বলেন, তাঁর রমজান মাসের সিয়াম বাকি থাকত। রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর খিদমতে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি শাবান মাস ছাড়া অন্য সময়ে তা আদায় করার সুযোগ পেতেন না। কোর টপিক হলো কাযা সিয়াম। হাদিসটি খুব বাস্তব একটি দিক দেখায়। কখনো রমজানের সিয়াম বাকি থাকতে পারে, আর সুযোগ হলে তা আদায় করা হয়। এখানে বিশেষভাবে শাবানের কথা এসেছে, কারণ আয়িশা রা.-এর বর্ণনায় তখন তাঁর সুযোগ হতো। যারা রমজানের কাযা রোজা, শাবানে কাযা রোজা, আয়িশা রা.-এর হাদিস বা সহীহ মুসলিম ২৫৭৭ খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের বাইরে গিয়ে কাযার সব বিস্তারিত নিয়ম এখানে বলা হয়নি; শুধু এই ঘটনার শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের বাকি সিয়াম পরে কাযা করা হয়েছে।
- আয়িশা রা. শাবান মাসে কাযা আদায়ের সুযোগ পেতেন।
- দায়িত্ব ও সুযোগের মধ্যে আমল আদায়ের বাস্তব দিক হাদিসে এসেছে।
