১৪/২৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫৭৯ - কাযা সিয়ামে বিলম্বের কারণ
শা‘বান মাসে রামাদানের সিয়ামের ক্বাযা
কাযা সিয়াম শাবান পর্যন্ত দেরি হওয়ার বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৫৭৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৫৭৯
وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، بْنُ سَعِيدٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَظَنَنْتُ أَنَّ ذَلِكَ لِمَكَانِهَا مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . يَحْيَى يَقُولُهُ .
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সানাদেও উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি আরো বলেছেন, আমার এরূপ দেরি করার কারণ ছিল নবী (ﷺ)–এর খিদমতে ব্যস্ত থাকা।
ই.ফা. ২৫৫৬, ই.সে. ২৫৫৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একই বিষয়ের আরেক সনদ এসেছে। এতে বলা হয়েছে, আয়িশা রা.-এর দেরির কারণ ছিল নবী صلى الله عليه وسلم-এর খিদমতে ব্যস্ত থাকা—এ কথা ইয়াহইয়া বলেছেন। কোর টপিক হলো কাযা সিয়াম। এই বর্ণনাটি মূল ঘটনার একটি ব্যাখ্যামূলক দিক তুলে ধরে। রমজানের সিয়াম বাকি থাকলে তা পরে আদায়ের বিষয় এখানে বোঝা যায়, তবে হাদিসে সব মানুষের জন্য সব পরিস্থিতির বিস্তারিত বিধান বলা হয়নি। যারা রমজানের কাযা রোজা, শাবানে কাযা সিয়াম, আয়িশা রা.-এর কাযা রোজা বা সহীহ মুসলিম ২৫৭৯ খুঁজছেন, তারা এই বর্ণনা থেকে একই শিক্ষার আরেক সূত্র পাবেন। হাদিসের সীমা বজায় রেখে বলা যায়, সুযোগ ও ব্যস্ততার কারণে কাযা আদায় দেরি হয়েছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আয়িশা রা.-এর কাযা সিয়াম শাবান পর্যন্ত দেরি হওয়ার কথা এসেছে।
- দেরির কারণ নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে তাঁর অবস্থান ও খিদমতের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
- হাদিসের বর্ণনার পার্থক্য বুঝে ব্যাখ্যা করা দরকার।
