১৬/১৭. অধ্যায়ঃ

ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮১৯

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا وَقَالَ، إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلاَ نَرَى إِلاَّ أَنَّهُ الْحَجُّ فَلَمَّا قَدِمْنَا مَكَّةَ تَطَوَّفْنَا بِالْبَيْتِ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ لَمْ يَكُنْ سَاقَ الْهَدْىَ أَنْ يَحِلَّ - قَالَتْ - فَحَلَّ مَنْ لَمْ يَكُنْ سَاقَ الْهَدْىَ وَنِسَاؤُهُ لَمْ يَسُقْنَ الْهَدْىَ فَأَحْلَلْنَ ‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ فَحِضْتُ فَلَمْ أَطُفْ بِالْبَيْتِ فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ الْحَصْبَةِ - قَالَتْ - قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ يَرْجِعُ النَّاسُ بِعُمْرَةٍ وَحَجَّةٍ وَأَرْجِعُ أَنَا بِحَجَّةٍ قَالَ ‏"‏ أَوَمَا كُنْتِ طُفْتِ لَيَالِيَ قَدِمْنَا مَكَّةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ قُلْتُ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَاذْهَبِي مَعَ أَخِيكِ إِلَى التَّنْعِيمِ فَأَهِلِّي بِعُمْرَةٍ ثُمَّ مَوْعِدُكِ مَكَانَ كَذَا وَكَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ صَفِيَّةُ مَا أُرَانِي إِلاَّ حَابِسَتَكُمْ قَالَ ‏"‏ عَقْرَى حَلْقَى أَوَمَا كُنْتِ طُفْتِ يَوْمَ النَّحْرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ بَلَى ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لاَ بَأْسَ انْفِرِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ فَلَقِيَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُصْعِدٌ مِنْ مَكَّةَ وَأَنَا مُنْهَبِطَةٌ عَلَيْهَا أَوْ أَنَا مُصْعِدَةٌ وَهُوَ مُنْهَبِطٌ مِنْهَا ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ مُتَهَبِّطَةٌ وَمُتَهَبِّطٌ ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

শুধুমাত্র হজ্জের উদ্দেশেই আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা (মক্কায়) পৌঁছে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করলাম। যারা কুরবানির পশু (হাদী) সাথে আনেনি, রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে ইহরাম খোলার নির্দেশ দিলেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতএব যারা কুরবানির পশু সঙ্গে আনেনি, তারা ইহরাম ছেড়ে দিল। রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সহধর্মিণীগণ সাথে কুরবানির পশু আনেননি। তাই তাঁরাও ইহরাম খুলে ফেললেন।আয়িশা (রাঃ) আরও বললেন, আমার মাসিক দেখা দিল এবং বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতে পারলাম না। 'হাসবা' অবস্থানের রাতে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! লোকেরা হজ্জ ও উমরা করে ফিরে যাচ্ছে, আর আমি শুধু হজ্জ করে ফিরছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আমরা যে রাতে মক্কায় পৌঁছেছি, তখন তুমি কি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করোনি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে তুমি তোমার ভাইয়ের সাথে 'তানঈম' যাও এবং (সেখানে) উমরার ইহরাম বাঁধ। অতঃপর তুমি অমুক অমুক জায়গায় (আমাদের সাথে) মিলিত হতে পারবে।উম্মুল মু’মিনীন সফিয়া (রাঃ) বললেন, মনে হয় আমি আপনাদের আটকিয়ে রাখব। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, দূর হতভাগী, তোমার সর্বনাশ হোক! তুমি কুরবানির দিন বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেছো? তিনি বললেন, হ্যাঁ, করেছি। নবী (ﷺ) বললেন, তাহলে কোনো অসুবিধা নেই, তুমি অগ্রসর হও।আয়িশা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন, তিনি মক্কার উচ্চভূমি দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন। আর আমি তা অতিক্রম করে নিম্নভূমিতে নামছিলাম। অথবা তিনি উচ্চভূমি অতিক্রম করে নিম্নভূমির দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন, আর আমি নিম্নভূমি থেকে উচ্চভূমির দিকে অগ্রসর হচ্ছিলাম। ইসহাকের বর্ণনায় আছে, আয়িশা (রাঃ) এবং রসূলুল্লাহ (ﷺ) উভয়ে নিম্নভূমি অতিক্রম করছিলেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৭৯৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৭৯৪

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন