১৬/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮২০ - তালবিয়া ও হজের বর্ণনা
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু‘ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে
তালবিয়া পাঠ করে রওনা: হজ-উমরার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৮২০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮২০
وَحَدَّثَنَاهُ سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ نُلَبِّي لاَ نَذْكُرُ حَجًّا وَلاَ عُمْرَةً . وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمَعْنَى حَدِيثِ مَنْصُورٍ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে তালবিয়াহ্ পাঠ করতে করতে রওনা হলাম। আমরা সুস্পষ্টভাবে হজ বা ‘উমরাহ্ কোনটিরই উল্লেখ করিনি।......অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত মানসূর (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ।
ই.ফা. ২৭৯৭, ই.সে. ২৭৯৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮২০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তাঁরা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে তালবিয়া পাঠ করতে করতে রওনা হন। তখন তাঁরা স্পষ্টভাবে হজ বা উমরার কোনো একটির নাম উল্লেখ করেননি। এরপর বর্ণনাটি পূর্বের মানসুর (রহঃ)-এর হাদিসের অর্থ অনুযায়ী এসেছে। তাই এই বর্ণনার মূল দিক হলো তালবিয়া পাঠ করে যাত্রা শুরু করা এবং ইহরামের অবস্থায় হজ-উমরার প্রসঙ্গ। যেহেতু এখানে বিস্তারিত নতুন করে বলা হয়নি, ব্যাখ্যায় পূর্বের বর্ণনার বাইরে বেশি কিছু যোগ করা ঠিক নয়। তবে এতটুকু বোঝা যায়, একই ঘটনার বিভিন্ন বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু মূল ঘটনা একই থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরামের সফরে তালবিয়া পাঠের উল্লেখ এসেছে।
- কখনও বর্ণনায় হজ বা উমরার স্পষ্ট নাম না থাকলেও মূল ঘটনা বোঝা যায়।
- একই ঘটনার বর্ণনায় শব্দের ভিন্নতা থাকতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার।
