১৬/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮১৩ - ইফরাদ কিরান তামাত্তু হজ
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু‘ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে
ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু: হজের তিন ধরন
সহীহ মুসলিম : ২৮১৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮১৩
حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ الْمُهَلَّبِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، عَائِشَةَ - رضى الله عنها - قَالَتْ مِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِالْحَجِّ مُفْرِدًا وَمِنَّا مَنْ قَرَنَ وَمِنَّا مَنْ تَمَتَّعَ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমাদের কেউ ইফরাদ হজ্জের, কেউ ক্বিরান হজ্জের এবং তামাত্তু’ হজ্জের ইহরাম বাঁধল।
ই.ফা. ২৭৯০, ই.সে. ২৭৮৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) সংক্ষেপে জানিয়েছেন যে বিদায় হজের সফরে সবার ইহরাম এক রকম ছিল না। তাঁদের মধ্যে কেউ ইফরাদ হজের ইহরাম করেছিলেন, কেউ কিরান করেছিলেন, আর কেউ তামাত্তু করেছিলেন। হজের ধরন নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব সরল দলিল। এখানে কোনো দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই, বরং মূল তথ্যটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। একই সফরে ভিন্ন ভিন্ন নিয়ত ও ইহরামের ধরন ছিল—এটাই হাদিসের মূল বার্তা। তাই ইফরাদ কিরান তামাত্তু হজের পার্থক্য শেখার আগে এই বর্ণনা পাঠককে মূল ধারণা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজের ইহরাম ভিন্ন ভিন্ন নিয়তে হতে পারে।
- ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু—তিন ধরনের হজের উল্লেখ এসেছে।
- সাহাবীদের একই সফরে ভিন্ন ভিন্ন হজের ধরন ছিল।
- হজের নিয়ত বুঝে আমল করতে হয়।
