১৬/১৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮১৪ - আয়িশা রাঃ-এর হজ সফর

ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু‘ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে

আয়িশা (রাঃ)-এর হজে আসার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮১৪

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ، بْنُ عُمَرَ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ جَاءَتْ عَائِشَةُ حَاجَّةً .

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) হজ্জ করার জন্য এসেছিলেন।

ই.ফা. ২৭৯১, ই.সে. ২৭৮৯

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮১৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি খুব ছোট। এতে বলা হয়েছে, আয়িশা (রাঃ) হজ করার জন্য এসেছিলেন। যদিও এখানে বিস্তারিত ঘটনা নেই, একই ধারার অন্য বর্ণনাগুলোতে তাঁর হজের সফর, সারিফে হায়জ হওয়া, তাওয়াফের অপেক্ষা, এবং পরে তানঈম থেকে উমরা করার বিষয় এসেছে। কিন্তু এই নির্দিষ্ট হাদিসে আমাদের শুধু এতটুকুই জানা যায় যে তিনি হজের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। তাই ব্যাখ্যায় বাড়তি ঘটনা যোগ না করে মূল কথাটিই সামনে রাখা জরুরি। হজের বর্ণনাগুলোর ধারাবাহিকতায় এই সংক্ষিপ্ত বাক্য আয়িশা (রাঃ)-এর হজ সফরের মূল সূচনাকে দেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আয়িশা (রাঃ) হজ পালনের জন্য এসেছিলেন।
  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও বড় ঘটনার অংশ হতে পারে।
  • হাদিস ব্যাখ্যায় যে পরিমাণ তথ্য আছে, ততটুকুই বলা উচিত।
  • হজের ঘটনা বুঝতে একই অধ্যায়ের অন্যান্য বর্ণনা সহায়ক।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন