১৬/১৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮২১ - নবীজির নির্দেশে ইতস্তত করা

ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু‘ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে

নবীজির নির্দেশে ইতস্তত: হাদী ও ইহরামের শিক্ষা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮২১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ جَمِيعًا عَنْ غُنْدَرٍ، - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ ذَكْوَانَ، مَوْلَى عَائِشَةَ عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لأَرْبَعٍ مَضَيْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ أَوْ خَمْسٍ فَدَخَلَ عَلَىَّ وَهُوَ غَضْبَانُ فَقُلْتُ مَنْ أَغْضَبَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَدْخَلَهُ اللَّهُ النَّارَ ‏.‏ قَالَ «أَوَمَا شَعَرْتِ أَنِّي أَمَرْتُ النَّاسَ بِأَمْرٍ فَإِذَا هُمْ يَتَرَدَّدُونَ قَالَ الْحَكَمُ كَأَنَّهُمْ يَتَرَدَّدُونَ أَحْسِبُ - وَلَوْ أَنِّي اسْتَقْبَلْتُ مِنْ أَمْرِي مَا اسْتَدْبَرْتُ مَا سُقْتُ الْهَدْىَ مَعِي حَتَّى أَشْتَرِيَهُ ثُمَّ أَحِلُّ كَمَا حَلُّوا ‏"‏ ‏.

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যিলহজ্জ মাসের ৪র্থ অথবা ৫ম দিনে (মাক্কায়) এলেন। এরপর রাগান্বিত অবস্থায় আমার কাছে প্রবেশ করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! কে আপনাকে রাগান্বিত করল, আল্লাহ তাকে আগুনে নিক্ষেপ করুন? তিনি বললেন, তুমি কি জান না- আমি লোকদের একটি কাজের নির্দেশ দিয়েছিলাম অথচ তারা ইতস্ততঃ করছে? রাবী হাকাম বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছেন, যেন তারা ইতস্ততঃ করছে। আমি যদি পূর্বেই জানতাম, যে বিষয়ে আমি পরে সম্মুখীন হয়েছি, তবে আমি সাথে করে কুরবানীর পশু আনতাম না; বরং পরে তা কিনে নিতাম এবং আমিও ইহরাম খুলে ফেলতাম যেমন অন্যরা ইহরাম খুলেছে।

ই.ফা. ২৭৯৮, ই.সে. ২৭৯৬

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮২১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বিদায় হজের সময় একটি সংবেদনশীল ঘটনা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যিলহজের চার বা পাঁচ তারিখে মক্কায় পৌঁছলেন। এরপর তিনি রাগান্বিত অবস্থায় আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এলেন। আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিনি মানুষকে একটি কাজের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু তারা ইতস্তত করছে। এরপর তিনি বলেন, যদি আগে জানতেন পরে কী অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে, তাহলে সঙ্গে হাদী আনতেন না; বরং পরে কিনতেন এবং অন্যদের মতো ইহরাম খুলে ফেলতেন। এই বর্ণনায় নবীজির নির্দেশ মানার গুরুত্ব, হাদী সঙ্গে থাকার প্রভাব এবং ইহরাম ভঙ্গের বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশে অকারণ ইতস্তত করা ঠিক নয়।
  • হাদী সঙ্গে থাকা ইহরামের বিধানে প্রভাব রাখে।
  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) সাহাবীদের সহজ পথ দেখাতে চেয়েছিলেন।
  • হজের বিধান বুঝে দ্রুত আমল করা গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন