১৬/৩৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৪৭ - তাওয়াফে রামালের সুন্নাত বোঝা
উমরার ত্বওয়াফে এবং হাজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব
তাওয়াফে রামাল: সুন্নাত বোঝার সহজ শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৯৪৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৪৭
وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، قَالَ قُلْتُ لاِبْنِ عَبَّاسٍ إِنَّ قَوْمَكَ يَزْعُمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ رَمَلَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَهْىَ سُنَّةٌ . قَالَ صَدَقُوا وَكَذَبُوا .
আবূ তুফায়ল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)–কে বললাম, আপনার সম্প্রদায় বলে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়তুল্লাহ্র ত্বওয়াফে ও সাফা-মারওয়ার সা‘ঈতে রামাল করেছেন, আর এটা সুন্নাত। তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে এবং অসত্য বলেছে।
ই.ফা. ২৯২৩, ই.সে. ২৯২২
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু তুফাইল ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা বলে যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বায়তুল্লাহর তাওয়াফে এবং সাফা-মারওয়ার সাঈতে রামাল করেছেন, আর এটি সুন্নাত। ইবন আব্বাস (রাঃ) উত্তর দিলেন, তারা সত্যও বলেছে এবং অসত্যও বলেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, কোনো আমল সম্পর্কে কথা বলার সময় শুধু বাহ্যিক ঘটনা বলা যথেষ্ট নয়; সেটি কোন অংশে সঠিক এবং কোন অংশে ভুলভাবে বোঝা হচ্ছে, তা জানা দরকার। তাওয়াফে রামাল, সাফা-মারওয়ার সাঈ এবং সুন্নাতের ব্যাখ্যা—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা মানুষকে সতর্কভাবে বুঝতে শেখায়। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও আমল বোঝার ক্ষেত্রে জ্ঞানী সাহাবীর যাচাই করা বক্তব্যের গুরুত্ব দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ধর্মীয় আমল সম্পর্কে কথা বলার আগে সঠিকভাবে যাচাই করা দরকার।
- একই কথার কিছু অংশ সঠিক এবং কিছু অংশ ভুলভাবে বোঝা হতে পারে।
- তাওয়াফ ও সাঈর আমল বুঝতে সাহাবীদের ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ।
- সুন্নাত বলার ক্ষেত্রে শুধু প্রচলিত কথা নয়, নির্ভরযোগ্য বর্ণনার দিকে ফিরতে হয়।
