১৬/৪৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩০০৮ - অন্ধকারে ফজরের সালাত
কুরবানীর দিন, মুযদালিফায় ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথেই ফজরের সলাত আদায় করা মুস্তাহাব
মুযদালিফায় অন্ধকারে ফজরের সালাত
সহীহ মুসলিম : ৩০০৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩০০৮
وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، جَمِيعًا عَنْ جَرِيرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ قَبْلَ وَقْتِهَا بِغَلَسٍ.
আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্র হতে বর্ণিতঃ
উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনার শেষাংশ নিম্নরূপঃ “ওয়াক্ত হবার সাথে সাথেই অন্ধকারের মধ্যে তা আদায় করেছেন।”
ই.ফা. ২৯৮৩, ই.সে. ২৯৮০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩০০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি পূর্বের হাদিসের একই সূত্রে এসেছে। এখানে শেষ অংশে বলা হয়েছে, ফজরের সালাত “ওয়াক্ত হওয়ার আগে অন্ধকারে” আদায় করা হয়েছে—অর্থাৎ বর্ণনার ভাষায় অন্ধকার সময়ের কথা বিশেষভাবে এসেছে। হজের আমলের মধ্যে মুযদালিফায় রাত যাপন, এরপর ফজরের সালাত ও মিনার দিকে রওনা হওয়া—এসব বিষয় একসাথে জড়িত। তাই এই হাদিস “মুযদালিফায় ফজর”, “অন্ধকারে ফজর সালাত” এবং “হজে ফজরের সময়” বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেখা যায়, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আমল সাধারণ সালাতের নিয়ম থেকে আলাদা করে নয়, বরং নির্দিষ্ট হজের দিনের বিশেষ কাজ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। এই কারণে হাদিসের ভাষা যতটুকু বলেছে, ব্যাখ্যাও ততটুকু সীমার মধ্যে রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুযদালিফায় ফজরের সময় নিয়ে বিশেষ বর্ণনা এসেছে।
- হজের আমল বুঝতে একই বিষয়ের বিভিন্ন বর্ণনা মিলিয়ে দেখা দরকার।
- হাদিসে যে ভাষা এসেছে, ব্যাখ্যায় তার বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
