১৬/৬৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩০৮৬ - হাদি পাঠালেও ইহরামের মতো নয়
যে নিজে (মাক্কাতে) যেতে ইচ্ছা রাখে না, তার পক্ষে কুরবানীর পশু হারামে পাঠানো ও গলায় মালা পরানো এবং মালা পাকানো মুস্তাহাব, আর (প্রেরক) ইহরামকারীর অনুরূপ হবে না এবং এ কারণে তার উপর (ইহরামধারীদের মতো) কোন কিছু হারাম হবে না
হাদি পাঠালেও ইহরামের মতো বিরত না থাকার হাদিস
সহীহ মুসলিম : ৩০৮৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩০৮৬
وَحَدَّثَنِيهِ حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সনদে (উপরোক্ত হাদীসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
ই.ফা. ৩০৬১, ই.সে. ৩০৫৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩০৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার অনুরূপ। এতে একই সনদে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মদিনা থেকে হাদি পাঠাতেন, আয়িশা (রাঃ) সেই হাদির মালা তৈরি করতেন, এরপরও তিনি ইহরামধারীর মতো নিষিদ্ধ জিনিসগুলো থেকে বিরত থাকতেন না। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু মূল বিষয় খুব পরিষ্কার। হাদি পাঠানো একটি আলাদা কাজ, আর ইহরাম অবস্থার বিধিনিষেধ আরেক বিষয়—এই পার্থক্য এখানে দেখা যায়। হাদি পাঠালেও ইহরামের মতো বিরত না থাকার হাদিস আমাদের শেখায়, ইবাদতের প্রতিটি কাজ তার নিজ নিজ সীমা অনুযায়ী বুঝতে হবে। কোনো কাজের সাথে আরেক কাজের বিধান নিজে থেকে জুড়ে দেওয়া উচিত নয়। সাহাবী আয়িশা (রাঃ)-এর বর্ণনা ঘরের ভেতরের বাস্তব আমলকে স্পষ্ট করেছে। তাই এই হাদিস হাদি, মালা এবং ইহরামের সীমা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা আগের একই বিষয়কে আরেক সনদে সমর্থন করে।
- হাদি পাঠানো এবং ইহরাম অবস্থার বিধান আলাদা করে বোঝা দরকার।
- আয়িশা (রাঃ)-এর বর্ণনায় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বাস্তব আমল জানা যায়।
- ইবাদতের বিধান নিজের ধারণা দিয়ে বাড়ানো উচিত নয়।
