১৭/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৩৬১ - অতিরিক্ত ব্যাখ্যা ছাড়া শিগারের বর্ণনা
শিগার বিবাহ হারাম ও তা বাতিল
শিগারের অনুরূপ বর্ণনায় সতর্ক পাঠ
সহীহ মুসলিম : ৩৩৬১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৩৬১
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، - وَهُوَ ابْنُ عُمَرَ - بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ زِيَادَةَ ابْنِ نُمَيْرٍ .
‘উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে এ সূত্র হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ইবনু নুমায়রের অতিরিক্ত বর্ণনা উল্লিখিত হয়নি।
ই.ফা. ৩৩৩৫, ই.সে. ৩৩৩৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৩৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে অনুরূপ বর্ণনা এসেছে, তবে ইবনু নুমাইরের অতিরিক্ত ব্যাখ্যা এখানে উল্লেখ করা হয়নি। তাই এই বর্ণনার শিক্ষাও সীমিতভাবে ধরা উচিত। মূল বিষয় হলো—রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم শিগার পদ্ধতির বিবাহ নিষিদ্ধ করেছেন। আগের বর্ণনায় শিগারের উদাহরণ হিসেবে কন্যা বা বোন বিনিময়ের শর্ত এসেছে, কিন্তু এই সূত্রে সেই অতিরিক্ত কথা নেই। হাদিস পাঠে এই পার্থক্য খেয়াল রাখা দরকার। “শিগার বর্ণনা”, “অনুরূপ হাদিস”, “বিবাহে নিষিদ্ধ পদ্ধতি” এমন শব্দ এখানে প্রাসঙ্গিক। এই হাদিস আমাদের শেখায়, কোনো সূত্রে যে অংশ আছে সেটুকুই বলা উচিত, আর যে অতিরিক্ত অংশ নেই তা আলাদা করে বুঝতে হবে। এতে হাদিসের ভাষার প্রতি সততা থাকে। একই বিষয়ের একাধিক বর্ণনা তুলনা করলে মূল শিক্ষা পরিষ্কার হয়, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক সূত্রে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা না থাকলে সেটি আলাদা করে মানা দরকার।
- শিগার নিষিদ্ধ হওয়ার মূল শিক্ষা এখানে বজায় আছে।
- হাদিসের ভিন্ন বর্ণনার শব্দভেদ সতর্কভাবে পড়া উচিত।
