১৭/১৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪০৪ - দাওয়াতে সাড়া দেওয়ার আদব
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ
দাওয়াতে সাড়া দেওয়া ইসলামী আদব
সহীহ মুসলিম : ৩৪০৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪০৪
حَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ائْتُوا الدَّعْوَةَ إِذَا دُعِيتُمْ " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কাউকে দাওয়াত দেয়া হলে তাতে সাড়া দিবে।
ই.ফা. ৩৩৭৭, ই.সে. ৩৩৭৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমাদের দাওয়াত দেওয়া হলে সেই দাওয়াতে যাও। এখানে বর্ণনাটি ওয়ালীমা বা কোনো নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের ভাষায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং সাধারণ দাওয়াতের কথাও বোঝা যায়। একই ধারার অন্যান্য বর্ণনায় বিবাহের ওয়ালীমার কথা এসেছে, তবে এই হাদিসের সরাসরি শব্দ হলো ‘দাওয়াত’। তাই ব্যাখ্যার সময় মূল শব্দের প্রতি সতর্ক থাকা দরকার। দাওয়াত মানে শুধু খাবার খাওয়া নয়; এটি আহ্বান, সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও সম্মানের বিষয়। যখন কেউ ডাকে, তখন তার আহ্বানের মর্যাদা দেওয়া উচিত—এই সরল শিক্ষা হাদিসে এসেছে। ‘দাওয়াতে সাড়া’, ‘দাওয়াতের আদব’, ‘ওয়ালীমার দাওয়াত’—এসব শব্দ এই হাদিসের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এখানে অতিরিক্ত কোনো শর্ত বা ব্যতিক্রম বলা হয়নি, তাই মূল শিক্ষাই হলো: ডাকা হলে সাড়া দাও।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাওয়াত পেলে তাতে সাড়া দেওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- দাওয়াতকে সম্মান করা মুসলিম আচরণের একটি সুন্দর দিক।
- এই বর্ণনায় সাধারণ দাওয়াতের কথাও বোঝা যায়।
