১/৮৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৬ - গ্রহণীয় দোয়া ও উম্মতের শাফা‘আত
মহানাবী (ﷺ) তাঁর উম্মাহ্র শাফা‘আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু‘আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন
গ্রহণীয় দোয়া গোপনে রাখা: উম্মতের জন্য নবী صلى الله عليه وسلم-এর মমতা
সহীহ মুসলিম : ৩৮৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৬
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ " لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ قَدْ دَعَا بِهَا فِي أُمَّتِهِ وَخَبَأْتُ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ».
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নবীকে একটি গ্রহণীয় বিশেষ দোয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। সবাই তাঁদের দোয়া আপন উম্মতের কল্যাণের জন্য করে ফেলেছেন, তবে আমি আমার দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফাআতের জন্য গোপনে অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি।
ই.ফা. ৩৯২; ই.সে. ৪০৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, প্রত্যেক নবীকে একটি গ্রহণীয় বিশেষ দোয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সবাই তাঁদের দোয়া নিজেদের উম্মতের কল্যাণে করে ফেলেছেন। কিন্তু নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর দোয়াটি কিয়ামতের দিনে উম্মতের শাফা‘আতের জন্য গোপনে অবশিষ্ট রেখেছেন। এই বর্ণনায় ‘গোপনে অবশিষ্ট রাখা’ কথাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তা বোঝায়—নবী صلى الله عليه وسلم উম্মতের আখিরাতের প্রয়োজনকে সামনে রেখেছেন। হাদিসটি দোয়ার মর্যাদা, শাফা‘আতের আশা এবং নবী صلى الله عليه وسلم-এর উম্মতের প্রতি দয়ার কথা বলে। তবে শাফা‘আত নিয়ে কথা বলার সময় হাদিসের সীমার মধ্যে থাকা জরুরি। এখানে যা বলা হয়েছে তা হলো: আল্লাহর দেওয়া বিশেষ দোয়া নবী صلى الله عليه وسلم কিয়ামতের দিনের জন্য সংরক্ষণ করেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রত্যেক নবীকে একটি গ্রহণীয় বিশেষ দোয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর দোয়া উম্মতের শাফা‘আতের জন্য রেখে দিয়েছেন।
- কিয়ামতের দিন আল্লাহর দয়া ও অনুমতি সবচেয়ে বড় আশ্রয় হবে।
- উম্মতের প্রতি নবী صلى الله عليه وسلم-এর দয়া এই হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে।
