২৩/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯০৬ - নিষিদ্ধ আয়ের একই বর্ণনা
কুকুরের মূল্য, গণকের গণনা কাজের মজুরী ও ব্যভিচারিণীর ব্যভিচার দ্বারা উপার্জিত অর্থ হারাম এবং বিড়াল বিক্রি করা নিষেধ
হারাম ও নিকৃষ্ট আয় থেকে সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৩৯০৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৯০৬
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، بْنِ أَبِي كَثِيرٍ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ بِمِثْلِهِ.
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
ই. ফা. ৩৮৬৯, ই. সে. ৩৮৬৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাই এখানে মূল শিক্ষা আগের বর্ণনাগুলোর মতোই: কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারের আয় এবং রক্ত মোক্ষণকারীর উপার্জন সম্পর্কে সতর্কতা। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামে উপার্জনের পথ শুধু দুনিয়ার প্রয়োজন পূরণের জন্য নয়; এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি, মানুষের নৈতিকতা এবং নিজের আখিরাতের দায় জড়িত। তাই যে আয়ের উৎস নিষিদ্ধ বা নিকৃষ্ট হিসেবে এসেছে, তা থেকে বাঁচার চেষ্টা করা দরকার। এই অনুরূপ বর্ণনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, হালাল উপার্জন মুমিনের জীবনের একটি বড় অংশ। আয় করার আগে কাজের ধরন, পেশার প্রকৃতি এবং সেই আয়ের উৎস নিয়ে সতর্ক হওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনুরূপ বর্ণনা নিকৃষ্ট আয়ের বিষয়ে সতর্কতাকে জোরালো করে।
- কুকুরের মূল্য ও ব্যভিচারের আয় থেকে বাঁচার শিক্ষা আছে।
- উপার্জনের পথ হালাল কি না তা খেয়াল করা জরুরি।
- রিজিকের ক্ষেত্রে দুনিয়ার লাভের পাশাপাশি আখিরাতের দায়ও মনে রাখা দরকার।
