২৩/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯০৭ - কুকুর-বিড়ালের মূল্য নিয়ে সতর্কতা
কুকুরের মূল্য, গণকের গণনা কাজের মজুরী ও ব্যভিচারিণীর ব্যভিচার দ্বারা উপার্জিত অর্থ হারাম এবং বিড়াল বিক্রি করা নিষেধ
কুকুর-বিড়ালের মূল্য নিয়ে নববী সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৩৯০৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৯০৭
حَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا مَعْقِلٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ سَأَلْتُ جَابِرًا عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ، وَالسِّنَّوْرِ، قَالَ زَجَرَ النَّبِيُّ ﷺ عَنْ ذَلِكَ .
আবূ যুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি জাবির (রাঃ)- এর নিকট কুকুর ও বিড়ালের মূল্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ নবী (ﷺ) এ ব্যাপারে সাবধান করে দিয়েছেন।
ই. ফা. ৩৮৭০, ই. সে. ৩৮৬৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু যুবাইর (রহ.) বলেন, তিনি জাবির (রাঃ)-এর কাছে কুকুর ও বিড়ালের মূল্য সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। জাবির (রাঃ) জানান, নবী (صلى الله عليه وسلم) এ বিষয়ে সাবধান করে দিয়েছেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সব ধরনের কেনাবেচা শুধু বাজারে প্রচলিত হলেই গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। মুসলিমের লেনদেনের ক্ষেত্রেও নববী নির্দেশনা মানা জরুরি। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে কোনো বাড়তি দাবি করা উচিত নয়। তবে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, কুকুর-বিড়ালের মূল্য বা এ ধরনের লেনদেন নিয়ে অবহেলা করা ঠিক নয়। যারা কুকুর বিড়ালের দাম, প্রাণী বিক্রির হুকুম বা ইসলামে লেনদেনের সতর্কতা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লেনদেনে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সতর্কতা গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।
- কুকুর ও বিড়ালের মূল্য বিষয়ে সাহাবিরা সরাসরি জিজ্ঞেস করতেন।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস হলেও এতে হারাম-হালালের বিষয়ে সতর্ক থাকার শিক্ষা আছে।
- যে বিষয়ে নববী সাবধানবাণী এসেছে, সে বিষয়ে অবহেলা করা উচিত নয়।
