২৩/১১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯৩২ - হিজামাকারীর প্রাপ্য মজুরি
শিঙ্গা লাগিয়ে মজুরী নেয়া হালাল
হিজামাকারীর মজুরি ও কর কমানোর শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৩৯৩২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৯৩২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خِرَاشٍ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ دَعَا النَّبِيُّ ﷺ غُلاَمًا لَنَا حَجَّامًا فَحَجَمَهُ فَأَمَرَ لَهُ بِصَاعٍ أَوْ مُدٍّ أَوْ مُدَّيْنِ وَكَلَّمَ فِيهِ فَخُفِّفَ عَنْ ضَرِيبَتِهِ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী (ﷺ) আমাদের শিঙ্গা লাগিয়ে থাকে এমন বালককে ডেকে পাঠান। সে তাঁর শরীরে শিঙ্গা লাগায়। অতঃপর তিনি তাকে এক সা’ অথবা এক মুদ বা দু’মুদ পরিমাণ পরিশোধ করতে আদেশ করেন এবং তার সম্পর্কে আলোচনা করেন। এতে তার উপর থেকে কর হ্রাস করে দেওয়া হয়।
ই. ফা. ৩৮৯৫, ই. সে. ৩৮৯৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস রাঃ বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم তাদের এক হিজামাকারী বালককে ডাকেন। সে নবী صلى الله عليه وسلم-কে হিজামা করে দেয়। এরপর নবী صلى الله عليه وسلم তাকে এক সা, অথবা এক মুদ, অথবা দুই মুদ পরিমাণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। শুধু মজুরি দেওয়াই নয়, তাঁর বিষয়ে কথা বলার ফলে তার ওপর ধার্য করও কমিয়ে দেওয়া হয়। এখানে হিজামা চিকিৎসার পাশাপাশি শ্রমিকের অধিকার ও তার কষ্ট কমানোর দিকটি স্পষ্ট। একজন মানুষ কাজ করলে তার প্রাপ্য দেওয়া উচিত—এ শিক্ষা হাদিসের ভিতরেই আছে। আবার যিনি অধীন বা চাপের মধ্যে আছেন, তার জন্য ভালো কথা বলা এবং চাপ কমানোর চেষ্টা করাও নবী صلى الله عليه وسلم-এর আচরণে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাজের বিনিময়ে শ্রমিকের প্রাপ্য দেওয়া উচিত।
- হিজামা চিকিৎসা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলে বাস্তবে করা হয়েছে।
- অধীন ব্যক্তির ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা করা ভালো কাজ।
- মজুরি দেওয়ার ক্ষেত্রে দেরি বা অবহেলা করা উচিত নয়।
