২৫/৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০৭৬ - অন্যায় কাজে সাক্ষী না রাখার নির্দেশ
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ
অন্যায় কাজে সাক্ষী নয়: নববী সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৪০৭৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪০৭৬
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ لأَبِيهِ «لاَ تُشْهِدْنِي عَلَى جَوْرٍ» .
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পিতাকে বললেন, আমাকে অন্যায় কাজের ব্যাপারে সাক্ষী রেখো না।
ই.ফা. ৪০৩৯, ই.সে. ৪০৩৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অর্থ গভীর। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-এর পিতাকে বলেন, “আমাকে অন্যায় কাজের ব্যাপারে সাক্ষী রেখো না।” আগের ও পরের বর্ণনাগুলোর আলোকে এখানে বিষয়টি সন্তানদের মধ্যে দানের ন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত। তবে এই নির্দিষ্ট পাঠে মূল বক্তব্য হলো অন্যায় কাজে সাক্ষী না রাখা। কোনো কাজ যদি ন্যায়ের বাইরে হয়, সেখানে সম্মানিত কাউকে সাক্ষী বানিয়ে কাজকে গ্রহণযোগ্য দেখানো ঠিক নয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সাক্ষ্য একটি দায়িত্ব। সাক্ষী হওয়ার আগে কাজটি ন্যায় কি না, তা দেখা জরুরি। দান, সম্পদ বা পারিবারিক সিদ্ধান্ত—সব জায়গায় সত্য ও ইনসাফকে গুরুত্ব দিতে হবে। তাই কোনো বিষয়ে সাক্ষী হওয়ার আগে কাজটির ন্যায়সঙ্গত দিক যাচাই করা দরকার, বিশেষ করে যখন তা সম্পদ ও সন্তানের অধিকারের সঙ্গে জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যায় কাজে কাউকে সাক্ষী রাখা উচিত নয়।
- সাক্ষ্য দেওয়া একটি দায়িত্বপূর্ণ বিষয়।
- পরিবারের দানেও ন্যায়ের মানদণ্ড থাকতে হবে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) অন্যায় কাজকে সমর্থন করেননি।
