২৮/৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১৬৬ - কসমের কাফফারা ও ভালো কাজ
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে।
কসমের কাফফারা দিয়ে যা ভালো তা করুন
সহীহ মুসলিম : ৪১৬৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪১৬৬
وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ بِلاَلٍ - حَدَّثَنِي سُهَيْلٌ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمَعْنَى حَدِيثِ مَالِكٍ " فَلْيُكَفِّرْ يَمِينَهُ وَلْيَفْعَلِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ " .
সুহায়ল (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সুহায়ল(রহঃ)- এর সূত্রে উক্ত সানাদে মালিক বর্ণিত হাদীসের মর্মানুরূপ বর্ণনা করেন। কিন্তু এতে রয়েছে, “সে যেন তার কসমের কাফ্ফারাহ্ দেয় এবং তাই করে যা ভাল।”
ই.ফা. ৪১২৮, ই.সে. ৪১২৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সুহাইল (রহঃ)-এর সূত্রে আগের মর্মের বর্ণনা এসেছে। এতে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কসম করে, পরে অন্যটি ভালো মনে করে, সে যেন তার কসমের কাফফারা দেয় এবং যা ভালো তা করে। এখানে ভাষা সামান্য ভিন্ন, কিন্তু শিক্ষা একই। কসম করা মানে নিজের ওপর একটি দায় নেওয়া। তাই পরে ভালো পথ দেখা গেলে শুধু কসমের অজুহাতে ভালো কাজ ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়। আবার কসম ভেঙে দায়মুক্ত হয়ে যাওয়ার ধারণাও ঠিক নয়। হাদিসের নির্দেশ হলো, কাফফারা দাও এবং ভালো কাজ করো। তাই কসমের কাফফারা শুধু একটি আইনি বিষয় নয়; এটি কথার দায়, সঠিক সিদ্ধান্ত এবং আল্লাহর নির্দেশ মানার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কসমের পর ভালো কাজ দেখা গেলে তা করা উচিত।
- কসম ভাঙার ক্ষেত্রে কাফফারা দিতে হবে।
- একই মর্মের বর্ণনা বিধানকে আরও পরিষ্কার করে।
- কথার দায় রক্ষা করেই উত্তম কাজের পথে চলা দরকার।
