৩৩/২২. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৪৯০ - আল্লাহর হুকুমে বিচার করার স্বীকৃতি

যে ব্যক্তি চুক্তি ভঙ্গ করে তাকে হত্যা করা বৈধ হওয়া এবং দুর্গের অধিবাসীদের কোন ন্যায়পরায়ণ ক্ষমতা প্রদত্ত বিচারকের নির্দেশে অবতরণ বৈধ হওয়া

সা’দ (রাঃ)-এর রায়ে আল্লাহর হুকুমের স্বীকৃতি

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৪৯০

وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ قَالَ أَبِي فَأُخْبِرْتُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «لَقَدْ حَكَمْتَ فِيهِمْ بِحُكْمِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ " .

হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমার পিতা বলেছেন, আমাকে খবর দেয়া হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি তাদের সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো।”

ই.ফা. ৪৪৪৭, ই.সে. ৪৪৪৯

সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৪৯০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। এখানে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সা’দ (রাঃ)-এর বিচার সম্পর্কে বলেছেন, তুমি তাদের ব্যাপারে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছ। আগের বর্ণনাগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখা যায়, এটি বানু কুরাইযার ঘটনার একটি অংশ। তবে এই হাদিসে শুধু নবী صلى الله عليه وسلم-এর স্বীকৃতিটাই এসেছে। তাই ব্যাখ্যার মূল কেন্দ্র হলো আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করা। কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষের রায় তখনই গ্রহণযোগ্য হয়, যখন তা আল্লাহর বিধানের সাথে মেলে। এখানে সা’দ (রাঃ)-এর মর্যাদাও স্পষ্ট হয়, কারণ তাঁর রায়ের সত্যতা নবী صلى الله عليه وسلم নিজে জানিয়ে দিয়েছেন। এই কারণে ন্যায়বিচার, আল্লাহর বিধান এবং সাহাবিদের সিদ্ধান্ত—এই তিনটি বিষয় এই হাদিসে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সঠিক বিচার আল্লাহর হুকুমের সাথে মিল থাকলে তা সম্মানিত হয়।
  • নবী صلى الله عليه وسلم-এর স্বীকৃতি কোনো সাহাবির রায়ের বড় মর্যাদা প্রকাশ করে।
  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও বড় শিক্ষা দিতে পারে।
  • বিচারে ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, আল্লাহর বিধানকে মানদণ্ড করতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন