৩৪/২৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭৩৩ - শত্রু এলাকায় কুরআন নেওয়া
কাফির জনপদে কুরআন মাজীদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে আশংকা থাকে তা তদের হাতে পতিত হওয়ার
শত্রু এলাকায় কুরআন নিয়ে সফরের নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৪৭৩৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৭৩৩
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
শত্রু এলাকায় কোরআন মাজীদ নিয়ে ভ্রমণ করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বারণ করেছেন।
ই.ফা. ৪৬৮৬, ই.সে. ৪৬৮৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم শত্রু এলাকায় কুরআন মাজীদ নিয়ে ভ্রমণ করতে বারণ করেছেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর মূল কথা খুব পরিষ্কার—কুরআনের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে। এখানে নিষেধের কারণ এই হাদিসে বিস্তারিত বলা হয়নি, তবে পরের বর্ণনাগুলোতে শত্রুর হাতে পড়ার আশঙ্কার কথা এসেছে। তাই এই হাদিসকে বুঝতে হলে কুরআন নিয়ে সফরের বিষয়টি হালকা মনে করা যাবে না। কুরআন শুধু পড়ার কিতাব নয়; এটি আল্লাহর কালাম। তাই এমন জায়গায় নেওয়া, যেখানে তা অসম্মান বা শত্রুর হাতে পড়ার আশঙ্কা থাকে, তা থেকে সতর্ক করা হয়েছে। হাদিসটি কুরআনের সম্মান ও নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন মাজীদের মর্যাদা রক্ষা করা মুমিনের দায়িত্ব।
- শত্রু এলাকায় কুরআন নেওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা এসেছে।
- ধর্মীয় আমানত নিরাপদ রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
- কুরআনের বিষয়ে অবহেলা না করে সতর্ক থাকা উচিত।
