৩৪/২৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭৩৪ - কুরআন শত্রুর হাতে পড়ার আশঙ্কা
কাফির জনপদে কুরআন মাজীদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে আশংকা থাকে তা তদের হাতে পতিত হওয়ার
কুরআন শত্রুর হাতে পড়ার ভয় থেকে সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৪৭৩৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৭৩৪
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَنَّهُ كَانَ يَنْهَى أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উмар (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শত্রু দেশে কোরআন নিয়ে সফর করতে বারণ করতেন এই ভয়ে যে, তা শত্রুরা পেয়ে যাবে।
ই.ফা. ৪৬৮৭, ই.সে. ৪৬৮৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের নিষেধের কারণ স্পষ্ট করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم শত্রু দেশে কুরআন নিয়ে সফর করতে বারণ করতেন, কারণ আশঙ্কা ছিল—শত্রুরা তা পেয়ে যাবে। এখানে কুরআনের নিরাপত্তা মূল বিষয়। একজন মুমিনের কাছে কুরআন আল্লাহর কালাম। তাই এমন অবস্থায় কুরআন বহন করা ঠিক নয়, যেখানে তা অসম্মানিত হতে পারে বা শত্রুর হাতে পড়ে যেতে পারে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, দ্বীনের জিনিসের সম্মান শুধু মুখের ভালোবাসায় নয়; বাস্তব সতর্কতার মধ্যেও প্রকাশ পায়। শত্রু এলাকার মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় কুরআন নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এই বর্ণনা বিশেষ সাবধানতা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন শত্রুর হাতে পড়ার আশঙ্কা থাকলে সতর্ক থাকতে হবে।
- কুরআনের সম্মান রক্ষায় বাস্তব ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم ঝুঁকিপূর্ণ সফরে কুরআন বহনের বিষয়ে বারণ করেছেন।
- ধর্মীয় আমানতকে নিরাপদ রাখা ঈমানি দায়িত্বের অংশ।
