৩৪/২৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭৪৫ - উরওয়া ইবনু জা‘দের উল্লেখ
ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে
ঘোড়ার কল্যাণ বর্ণনায় রাবীর নামের ভিন্নতা
সহীহ মুসলিম : ৪৭৪৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৭৪৫
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ عُرْوَةُ بْنُ الْجَعْدِ.
হুসায়ন (রহঃ) হতে এ সানাদ হতে বর্ণিতঃ
তবে তিনি “উরওয়াহ ইবনু জা‘দ (রাঃ)” উল্লেখ করেছেন।
ই.ফা. ৪৬৯৮, ই.সে. ৪৬৯৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মূল বক্তব্যের নতুন ব্যাখ্যা নেই; বরং বর্ণনার একটি নির্দিষ্ট দিক বলা হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি উরওয়া ইবনু জা‘দ বলেছেন। আগের বর্ণনায় উরওয়া বারিকী নাম এসেছে। এই ধরনের তথ্য হাদিসের সনদ ও রাবী পরিচয় বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাঠকের কাছে বিষয়টি ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু হাদিস সংরক্ষণে রাবীর নাম, সনদ ও শব্দের পার্থক্য খুব সতর্কভাবে রাখা হয়েছে। ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ, সওয়াব ও গনীমতের যে মূল কথা আগের বর্ণনায় এসেছে, এই হাদিস সেই ধারারই একটি রাবীভেদ নির্দেশ করে। তাই এটি মূলত রাবীর নামের পার্থক্য বোঝার বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে রাবীর নামের পার্থক্যও সংরক্ষণ করা হয়েছে।
- মূল বক্তব্য একই হলেও সনদের তথ্য আলাদা হতে পারে।
- ঘোড়ার কল্যাণ বিষয়ক ধারাবাহিক বর্ণনার অংশ এটি।
- হাদিস পড়ার সময় রাবী পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
