৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৮৪ - কলসির নাবীয বিষয়ে ইবন উমরের উত্তর
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
কলসির নাবীয নিয়ে সতর্ক উত্তর
সহীহ মুসলিম : ৫০৮৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৮৪
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، قَالَ قُلْتُ لاِبْنِ عُمَرَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ قَالَ فَقَالَ قَدْ زَعَمُوا ذَاكَ. قُلْتُ أَنَهَى عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ قَالَ قَدْ زَعَمُوا ذَاكَ.
সাবিত (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ইবনু উমর (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কলসীর নাবীয হতে বারণ করেছেন কি? তিনি বললেন, মানুষের তো তাই ধারণা। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বারণ করেছেন কি-না? তিনি বললেন, মানুষের তো তাই ধারণা।
ই.ফা. ৫০২১, ই.সে. ৫০৩১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বর্ণনাকারী ইবন উমর (রাঃ)-কে প্রশ্ন করেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কি কলসির নাবীয হতে বারণ করেছেন? তিনি বলেন, মানুষের তো তাই ধারণা। প্রশ্নকারী আবার জানতে চান, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কি সত্যিই বারণ করেছেন? তিনি আবার একইভাবে বলেন, মানুষের তো তাই ধারণা। এখানে মূল বিষয় হলো কলসির নাবীয, তবে এর সঙ্গে বর্ণনায় সতর্কতার দিকও আছে। ইবন উমর (রাঃ) সরাসরি হ্যাঁ না বলে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, সেটিই এই হাদিসের বিশেষ দিক। প্রধান সার্চ কিওয়ার্ড হতে পারে কলসির নাবীয, ইবন উমর উত্তর, নাবীযুল জার, এবং সহীহ মুসলিম ৫০৮৪। হাদিসটি আমাদের শেখায়, জানা কথা বলার সময়ও সতর্ক ভাষা ব্যবহার করা হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কলসির নাবীয নিয়ে ইবন উমর (রাঃ)-কে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল।
- তিনি সতর্ক ভাষায় উত্তর দিয়েছেন—মানুষের তো তাই ধারণা।
- হাদিস বর্ণনায় নিশ্চিত ভাষা ও সতর্ক ভাষার পার্থক্য আছে।
- প্রশ্ন পুনরাবৃত্তি হলেও তিনি একই উত্তর বজায় রেখেছেন।
