৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৯৬ - নাকীর, মুযাফফাত ও দুব্বা নিষেধ
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
নাকীর, মুযাফফাত ও দুব্বা পাত্রে নাবীয নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৫০৯৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৯৬
وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ، يَحْيَى أَخْبَرَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، وَابْنِ، عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ النَّقِيرِ وَالْمُزَفَّتِ وَالدُّبَّاءِ .
জাবির ও ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাকীর, মুযাফফাত ও দুব্বা (-তে নাবীয তৈরি করা) হতে বারণ করেছেন।
ই.ফা. ৫০৩৩, ই.সে. ৫০৪৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) ও ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) নাকীর, মুযাফফাত ও দুব্বা পাত্রে নাবীয তৈরি করা থেকে বারণ করেছেন। এখানে তিনটি পাত্রের নাম একসঙ্গে এসেছে। নাকীর হলো খোদাই করা কাঠজাত পাত্র, মুযাফফাত হলো আলকাতরা মিশ্রিত পাত্র, আর দুব্বা হলো কদুর খোল—এই ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট বর্ণনাগুলোতে পাওয়া যায়। এই হাদিসের মূল বার্তা হলো, নাবীয বানানোর ক্ষেত্রে কিছু পাত্র থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। যেহেতু বর্ণনাটি দুই সাহাবির মাধ্যমে এসেছে, তাই বিষয়টি নাবীয সম্পর্কিত আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পায়। তবে এই হাদিসে যতটুকু আছে, ততটুকুই বলা উচিত—এখানে মূল কথা নিষিদ্ধ পাত্রের তালিকা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নাকীর, মুযাফফাত ও দুব্বা পাত্রে নাবীয তৈরি থেকে বারণ এসেছে।
- একই বিষয়ে একাধিক সাহাবির বর্ণনা পাওয়া যায়।
- নাবীয তৈরিতে পাত্র নির্বাচন নিয়ে সতর্কতা আছে।
