৩৯/৫. অধ্যায়ঃ
সন্তান জন্ম নিলে নবজাতককে খুরমা (ইত্যাদি) চিবিয়ে তাঁর মুখে দেয়া এবং এ উদ্দেশে তাকে কোন নেককার ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব; জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয; ‘আব্দুল্লাহ এবং ইবরাহীম ও অন্যান্য নাবীগণের নামে নামকরণ করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম : ৫৫০৯
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৫০৯
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - أَخْبَرَنِي هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، وَفَاطِمَةُ بِنْتُ الْمُنْذِرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُمَا قَالاَ خَرَجَتْ أَسْمَاءُ بِنْتُ أَبِي بَكْرٍ حِينَ هَاجَرَتْ وَهِيَ حُبْلَى بِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ فَقَدِمَتْ قُبَاءً فَنُفِسَتْ بِعَبْدِ اللَّهِ بِقُبَاءٍ ثُمَّ خَرَجَتْ حِينَ نُفِسَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُحَنِّكَهُ فَأَخَذَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْهَا فَوَضَعَهُ فِي حَجْرِهِ ثُمَّ دَعَا بِتَمْرَةٍ قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ فَمَكَثْنَا سَاعَةً نَلْتَمِسُهَا قَبْلَ أَنْ نَجِدَهَا فَمَضَغَهَا ثُمَّ بَصَقَهَا فِي فِيهِ فَإِنَّ أَوَّلَ شَىْءٍ دَخَلَ بَطْنَهُ لَرِيقُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَتْ أَسْمَاءُ ثُمَّ مَسَحَهُ وَصَلَّى عَلَيْهِ وَسَمَّاهُ عَبْدَ اللَّهِ ثُمَّ جَاءَ وَهُوَ ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ أَوْ ثَمَانٍ لِيُبَايِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَمَرَهُ بِذَلِكَ الزُّبَيْرُ فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ رَآهُ مُقْبِلاً إِلَيْهِ ثُمَّ بَايَعَهُ .
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র ও ফাতিমাহ্ বিনতু মুনযির ইবনু যুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁরা বলেন, আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ) যে সময় হিজরত করলেন, সে সময় তিনি আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাঃ)-কে পেটে ধারণ করছিলেন। কুবায় পৌঁছলে তিনি আবদুল্লাহকে প্রসব করলেন।তারপর প্রসবের পর তিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরবারে গেলেন যাতে তিনি তাকে (নবজাতককে) খেজুর চিবিয়ে বারাকাত দেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বাচ্চাটিকে তাঁর নিকট থেকে নিয়ে নিজের কোলে রাখলেন। এরপর একটি খেজুর নিয়ে আসলেন।বর্ণনাকারী বলেন, আয়িশা (রাঃ) বলেন, তা পাওয়ার আগ পর্যন্ত খুঁজে যোগাড় করতে আমাদের কিছু সময় দেরি হলো। তারপর তিনি তা চিবিয়ে নিজের মুখ থেকে তার মুখের ভিতরে দিলেন। অতএব তার পেটে প্রথম যা ঢুকল তা ছিল রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর লালা।আসমা (রাঃ) আরও বলেছেন, তারপর তিনি তাকে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তার জন্য দোয়া করলেন, আর তার নাম রাখলেন আবদুল্লাহ। তারপর সাত কিংবা আট বছর বয়সে সে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরবারে বাইয়াত হওয়ার জন্য এলো। (পিতা) যুবাইর (রাঃ) তাকে তা করার উপদেশ দিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে এগিয়ে আসতে দেখে মুচকি হাসলেন। তারপর তাকে বাইয়াত গ্রহণ করলেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৪৩১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৪৫৩
