৪০/২১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬১১ - বিষাক্ত জন্তুর রুকইয়াহ
চোখলাগা, পার্শ্বঘা, বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া ও দুরাবস্থা হতে (মুক্তির জন্য) ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব
বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়ায় ঝাড়ফুঁকের অনুমতি
সহীহ মুসলিম : ৫৬১১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৬১১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لأَهْلِ بَيْتٍ مِنَ الأَنْصَارِ فِي الرُّقْيَةِ مِنَ الْحُمَةِ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনসারীদের একটি গৃহের লোকদের বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া থেকে (রোগমুক্তি লাভের আশায়) ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন।
ই.ফা. ৫৫৩০, ই.সে. ৫৫৫৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬১১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আয়িশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আনসারদের একটি গৃহের লোকদের বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া থেকে রোগমুক্তির আশায় ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। এটি আগের বর্ণনার মতো একই বিষয়ের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। হাদিসটি আমাদের শেখায় যে, রুকইয়াহর ক্ষেত্রে সবকিছু এক নামে বাতিল করা ঠিক নয়। অনুমোদিত রুকইয়াহ এমন একটি দোয়ার কাজ, যেখানে মানুষ আল্লাহর কাছে আরোগ্য চায়। তবে এখানে যে বিষয়টি সরাসরি এসেছে, তা হলো বিষাক্ত প্রাণীর ক্ষতি থেকে মুক্তির জন্য রুকইয়াহ। হাদিসটি অতিরঞ্জিত দাবি করে না; বরং একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুমতির কথা জানায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়ায় রুকইয়াহর অনুমতি আছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم নির্দিষ্ট প্রয়োজনে ঝাড়ফুঁকের অনুমতি দিয়েছেন।
- রুকইয়াহকে আল্লাহর কাছে আরোগ্য চাওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিত।
- হাদিসের শিক্ষা নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যে বুঝতে হবে।
