৪০/২১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬১০ - বিষক্রিয়ায় রুকইয়াহর অনুমতি
চোখলাগা, পার্শ্বঘা, বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া ও দুরাবস্থা হতে (মুক্তির জন্য) ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব
বিষধর প্রাণীর বিষক্রিয়ায় রুকইয়াহর অনুমতি
সহীহ মুসলিম : ৫৬১০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৬১০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ الأَسْوَدِ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنِ الرُّقْيَةِ، فَقَالَتْ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لأَهْلِ بَيْتٍ مِنَ الأَنْصَارِ فِي الرُّقْيَةِ مِنْ كُلِّ ذِي حُمَةٍ .
আসওয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে ঝাড়ফুঁক সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনসারীদের একটি পরিবারকে যে কোন বিষধর প্রাণীর বিষক্রিয়া হতে মুক্তির জন্যে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন।
ই.ফা. ৫৫২৯, ই.সে. ৫৫৫৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রা.-কে ঝাড়ফুঁক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আনসারদের একটি পরিবারকে বিষধর প্রাণীর বিষক্রিয়া থেকে মুক্তির জন্য রুকইয়াহ করার অনুমতি দিয়েছেন। হাদিসে ‘প্রতিটি বিষধর প্রাণী’ অর্থের কথা এসেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, ঝাড়ফুঁক সবসময় একভাবে নিষিদ্ধ নয়; বরং যে রুকইয়াহতে শিরক নেই এবং তা রোগ বা বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে আরোগ্য চাওয়ার মাধ্যম, তা অনুমতিপ্রাপ্ত হতে পারে। এখানে বিষয়টি খুব নির্দিষ্ট: বিষধর প্রাণীর ক্ষতি থেকে মুক্তির আশায় রুকইয়াহ। তাই এই বর্ণনা রুকইয়াহর বৈধতার একটি সীমিত ও স্পষ্ট উদাহরণ দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিষধর প্রাণীর বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে রুকইয়াহর অনুমতি এসেছে।
- আয়িশা রা. প্রশ্নের জবাবে সরাসরি নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুমতির কথা বলেছেন।
- রুকইয়াহর ক্ষেত্রে অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি।
- রোগমুক্তির আশা আল্লাহর কাছেই রাখা উচিত।
