৪০/২১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬২১ - রুকইয়াহর একই ঘটনা
চোখলাগা, পার্শ্বঘা, বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া ও দুরাবস্থা হতে (মুক্তির জন্য) ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব
বিচ্ছুর ছোবলে রুকইয়াহর বর্ণনার শব্দভেদ
সহীহ মুসলিম : ৫৬২১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৬২১
وَحَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الأُمَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ. مِثْلَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أَرْقِيهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلَمْ يَقُلْ أَرْقِي.
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) (থেকে) উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেছেন-তখন ব্যক্তিদের মাঝে এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাকে ঝাড়ফুঁক করতে পারি? তিনি (শুধু) ‘ঝাড়ফুঁক করি’ বলেননি (বরং ‘তাকে’ শব্দটিও বলেছেন)।
ই.ফা. ৫৫ ৪০, ই.সে ৫৫৬৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনারই একই সূত্রে বর্ণনা এসেছে, তবে একটি ছোট শব্দগত পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, লোকটি বলেছিল, হে আল্লাহর রসূল, আমি কি তাকে ঝাড়ফুঁক করতে পারি? অর্থাৎ শুধু ‘আমি ঝাড়ফুঁক করি’ নয়; বরং আক্রান্ত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ‘তাকে’ শব্দটি এসেছে। এই ধরনের শব্দভেদ হাদিস সংরক্ষণের সূক্ষ্মতা বোঝায়। মূল শিক্ষা আগের মতোই থাকে—বিচ্ছুর ছোবলে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য রুকইয়াহর প্রসঙ্গ এবং মানুষের উপকার করার অনুমোদিত পথ। তাই এই বর্ণনা রুকইয়াহর বিধানকে নতুনভাবে বাড়ায় না, বরং একই ঘটনার ভাষাগত দিক স্পষ্ট করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এটি বিচ্ছুর ছোবলের রুকইয়াহ সংক্রান্ত একই ঘটনার বর্ণনা।
- বর্ণনায় ‘তাকে রুকইয়াহ করি’ শব্দভেদ উল্লেখ হয়েছে।
- হাদিস সংরক্ষণে শব্দের পার্থক্যও গুরুত্ব পায়।
- আক্রান্ত ব্যক্তির উপকারের জন্য অনুমোদিত রুকইয়াহ করা যায়।
