৩/১০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬২৬ - এক সা’ গোসল ও এক মুদ পবিত্রতা
অপবিত্রতার গোসলে কতটুকু পরিমাণ পানি ব্যবহার মুস্তাহাব, পুরুষ এবং মেয়েলোক একই অবস্থায় একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে গোসল করা এবং তাদের উভয়ের মধ্যে একজনের অবশিষ্ট পানি দিয়ে অপরজনের গোসল করার বর্ণনা।
এক সা’ গোসল ও এক মুদ পবিত্রতার বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৬২৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬২৬
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، ح وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَبِي رَيْحَانَةَ، عَنْ سَفِينَةَ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ - صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ وَيَتَطَهَّرُ بِالْمُدِّ . وَفِي حَدِيثِ ابْنِ حُجْرٍ أَوْ قَالَ وَيُطَهِّرُهُ الْمُدُّ . وَقَالَ وَقَدْ كَانَ كَبِرَ وَمَا كُنْتُ أَثِقُ بِحَدِيثِهِ .
সাফীনাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবী সাফীনাহ্ (রাঃ) [এ বিশেষণটি আবূ বকর-এর বর্ণনায় রয়েছে] বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক সা’ পানি দিয়ে গোসল এবং এক মুদ্ পানি দিয়ে পবিত্রতা অর্জন (ওজু) করতেন। আর ইবনু হুজ্র তাঁর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে বা তিনি বলেছেন, এক মুদ্ পানি তাঁকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্র করতেন। তিনি (আবূ রাইহানাহ্) বলেন, সাফীনাহ্ অত্যন্ত বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তাই আমি তাঁর বর্ণিত হাদীসের উপর নির্ভর করতে পারি না।
ই.ফা. ৬৩০, ই.সে. ৬৪৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাফীনাহ (রাঃ)-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর গোসল ও পবিত্রতা অর্জনের পানির পরিমাণ এসেছে। আবূ বকর (রাঃ) বলেন, নবীজি صلى الله عليه وسلم এক সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং এক মুদ পানি দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করতেন। ইবনু হুজরের বর্ণনায় শব্দ এসেছে—এক মুদ তাঁকে পবিত্র করত। শেষে বর্ণনাকারী বলেন, সাফীনাহ খুব বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তাই তিনি তাঁর বর্ণিত হাদিসের উপর নির্ভর করতে পারতেন না। এই হাদিসে তাই দুইটি বিষয় আছে: পানির পরিমাণ এবং বর্ণনাকারীর মন্তব্য। “গোসলের পানির পরিমাণ”, “এক সা’ পানি”, “এক মুদ পানি” বিষয়গুলো মূল। ব্যাখ্যায় বর্ণনাকারীর সতর্ক মন্তব্যও রাখা দরকার, কারণ সেটি অনুবাদে স্পষ্টভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক সা’ পানি দিয়ে গোসলের বর্ণনা আছে।
- এক মুদ পানি দিয়ে পবিত্রতা অর্জনের কথা এসেছে।
- ইবনু হুজরের বর্ণনায় শব্দগত ভিন্নতা আছে।
- সাফীনাহ (রাঃ)-এর বয়স নিয়ে বর্ণনাকারীর মন্তব্যও উল্লেখ হয়েছে।
