৪৬/২৩. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৪৯৪ - নম্রতা ও কল্যাণের সম্পর্ক

নম্রতার ফাযীলাত

নম্রতা না থাকলে কল্যাণ কমে যায়

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৪৯৪

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هِلاَلٍ، قَالَ سَمِعْتُ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ حُرِمَ الرِّفْقَ حُرِمَ الْخَيْرَ أَوْ مَنْ يُحْرَمِ الرِّفْقَ يُحْرَمِ الْخَيْرَ».

জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নম্রতা থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি যাবতীয় কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। কিংবা বলেছেন, যে ব্যক্তি নম্রতা থেকে বঞ্চিত হবে সে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত থাকবে।

ই.ফা. ৬৩৬৪, ই.সে. ৬৪১৪

সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৪৯৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর বক্তব্য এসেছে যে, নম্রতা থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। বর্ণনায় শব্দের সামান্য ভিন্নতা আছে, কিন্তু শিক্ষা একই। নম্রতা মানুষের কথাকে গ্রহণযোগ্য করে, রাগ কমায় এবং সম্পর্ক সহজ করে। যে মানুষ সব সময় কঠোর ভাষায় কথা বলে, তার ভালো উদ্দেশ্যও অনেক সময় মানুষ নিতে পারে না। তাই নম্র আচরণ শুধু ব্যক্তিগত সৌন্দর্য নয়; এটি মানুষের সঙ্গে চলার একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব। হাদিসটি আমাদের নিজের আচরণ যাচাই করতে শেখায়। আমি কি কথা বলার সময় নরম? আমি কি রাগের সময়ও সীমা রাখি? এই প্রশ্নগুলো মুমিনের জন্য দরকারি। কারণ নবী (صلى الله عليه وسلم) নম্রতার অভাবকে কল্যাণের অভাবের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নম্রতা না থাকা কল্যাণ থেকে দূরে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
  • কঠোর কথার বদলে নরম ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
  • নিজের আচরণ নিয়মিত যাচাই করা মুমিনের জন্য উপকারী।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন