৪৬/২৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৪৯২ - নম্রতা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষতি
নম্রতার ফাযীলাত
নম্র আচরণ কল্যাণের বড় দরজা
সহীহ মুসলিম : ৬৪৯২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৪৯২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ تَمِيمِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «مَنْ يُحْرَمِ الرِّفْقَ يُحْرَمِ الْخَيْرَ».
জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নম্র আচরণ থেকে বঞ্চিত সে প্রকৃত কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত।
ই.ফা. ৬৩৬২, ই.সে. ৬৪১২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৪৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) খুব সংক্ষিপ্ত কথায় বড় শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি নম্র আচরণ থেকে বঞ্চিত, সে প্রকৃত কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত। এখানে নম্রতা বলতে কথায়, কাজে এবং মানুষের সঙ্গে আচরণে নরম হওয়া বোঝানো হয়েছে। কঠোরতা অনেক সময় সম্পর্ক নষ্ট করে, মানুষের মন ভেঙে দেয় এবং ভালো কথা গ্রহণ করাও কঠিন করে তোলে। কিন্তু নম্র আচরণ মানুষকে কাছে আনে। এই হাদিসে নম্র আচরণের গুরুত্ব এতটাই স্পষ্ট যে, কল্যাণের সঙ্গে এটিকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই পরিবার, সমাজ, কাজের জায়গা কিংবা সাধারণ কথাবার্তা—সব ক্ষেত্রেই রিফক বা নম্রতা মুমিনের সৌন্দর্য। কঠোরতা নয়, নরম ব্যবহারই ইসলামী চরিত্রের পরিচয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নম্র আচরণ কল্যাণ লাভের একটি বড় কারণ।
- কঠোরতা মানুষকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে।
- কথা ও কাজে নরম হওয়া মুমিনের ভালো চরিত্রের অংশ।
