৩/২৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৮৩ - ভুনা গোশত খেয়ে সালাত
আগুনে রান্না খাবার খেয়ে ওযূ করার বিধান মানসুখ (রহিত) হওয়া সম্পর্কে
ভুনা গোশত খেয়ে সালাত: ওজু না করার নববী আমল
সহীহ মুসলিম : ৬৮৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৮৩
قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي غَطَفَانَ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ أَشْهَدُ لَكُنْتُ أَشْوِي لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ بَطْنَ الشَّاةِ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ .
আবূ রাফি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ্(ﷺ)-এর জন্য বকরীর পেটের গোশ্ত ভুনা করতাম (তিনি তা খেতেন) তারপর পুনরায় ওজু না করেই সালাত আদায় করতেন।
ই.ফা. ৬৮২, ই.সে. ৬৯৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু রাফি (রাঃ) বলেন, তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য বকরির পেটের গোশত ভুনা করতেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সালাত আদায় করতেন, কিন্তু ওজু করতেন না। এখানে “সাক্ষ্য দিচ্ছি” কথাটি বর্ণনাকারীর নিশ্চিতভাবে দেখা বা জানা বিষয়কে তুলে ধরে। হাদিসটি খাবার খাওয়ার পর ওজুর বিষয়ে আগের বর্ণনাগুলোর মতোই একটি বাস্তব আমল জানায়। “ভুনা গোশত খেলে ওজু”, “গোশত খাওয়ার পর নামাজ” বা “খাবার খেলে ওজু ভাঙে কি” বিষয়ে এটি খুব প্রাসঙ্গিক। ব্যাখ্যায় হাদিসের সীমা হলো ভুনা গোশত, সালাত, এবং ওজু না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আবু রাফি (রাঃ) নিজের অভিজ্ঞতা সাক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
- এই হাদিসে ভুনা গোশত খেয়ে ওজু না করার কথা এসেছে।
- খাবারের পর সালাত আদায়ের বিষয়ে নবীজির আমল জানা যায়।
- পবিত্রতার মাসআলায় বাস্তব ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
