০/৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১০ - তাওহীদ ও ফরজ ইবাদত
যা শুনে তা বর্ণনা করা নিষিদ্ধ
তাওহীদ ও ইসলামের ফরজ ইবাদত: বেদুঈনের প্রশ্ন
সহীহ মুসলিম : ১০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১০
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ قَالَ لِي مَالِكٌ اعْلَمْ أَنَّهُ لَيْسَ يَسْلَمُ رَجُلٌ حَدَّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ وَلَا يَكُونُ إِمَامًا أَبَدًا وَهُوَ يُحَدِّثُ بِكُلِّ مَا سَمِعَ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
মালিক (রহঃ) আমাকে বলেছেন, জেনে রাখ, যদি কোন ব্যক্তি যা শোনে তা বলে বেড়ায় তবে সে (মিথ্যা হতে) নিরাপদ নয়। আর যে ব্যক্তি যা শোনে তা বলে বেড়ায় সে কখনো ইমাম হবে না।
সহীহ মুসলিম হাদিস ১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক বেদুঈন ব্যক্তি এসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সরাসরি কয়েকটি প্রশ্ন করেন। তিনি জানতে চান, আল্লাহ কি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে রাসূল করে পাঠিয়েছেন। এরপর আসমান, জমিন ও পাহাড়ের সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রতিটি উত্তরে বলেন—আল্লাহ। তারপর লোকটি সালাত, যাকাত, রমজানের সাওম এবং সক্ষম ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরজ হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে। সবশেষে সে বলে, সে এগুলোর বেশি করবে না, কমও করবে না। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, সে সত্য হলে জান্নাতে যাবে। এখানে তাওহীদ, রিসালাত এবং ফরজ ইবাদতের গুরুত্ব পরিষ্কারভাবে এসেছে। হাদিসটি দেখায়, ঈমানের ভিত্তি হলো আল্লাহকে স্রষ্টা ও নির্দেশদাতা হিসেবে মানা এবং তাঁর ফরজ বিধান মেনে চলা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহই আসমান, জমিন ও পাহাড়সহ সব কিছুর স্রষ্টা।
- রিসালাতের সত্যতা মেনে নেওয়া ঈমানের মৌলিক অংশ।
- সালাত, যাকাত, রমজানের সাওম ও হজ্জ ফরজ দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- ফরজ আমল সত্যভাবে পালন করা জান্নাতের আশার কারণ।
