০/৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪ - মানুষের বোঝার উপযোগী কথা বলা
যা শুনে তা বর্ণনা করা নিষিদ্ধ
মানুষের বোঝার উপযোগী হাদিস বর্ণনার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৪
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَا أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ مَسْعُودٍ، قَالَ مَا أَنْتَ بِمُحَدِّثٍ قَوْمًا حَدِيثًا لَا تَبْلُغُهُ عُقُولُهُمْ إِلَّا كَانَ لِبَعْضِهِمْ فِتْنَةً.
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখন তুমি কোন সম্প্রদায়ের কাছে এমন কোন হাদীস বর্ণনা করবে, যা তাদের বুঝে আসে না, তবে তা তাদের জন্য ফিতনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, কোনো সম্প্রদায়ের কাছে এমন হাদিস বর্ণনা করা, যা তাদের বুঝে আসে না, তাদের কারও জন্য ফিতনার কারণ হতে পারে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সত্য কথা বললেও শ্রোতার বোঝার ক্ষমতা বিবেচনা করা দরকার। হাদিস বর্ণনায় সতর্কতা শুধু সূত্র যাচাই নয়; কী বলা হচ্ছে, কাকে বলা হচ্ছে এবং তারা তা কীভাবে বুঝবে—এ বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি জটিল কথা এমন মানুষের সামনে বলে যারা তা ধরতে পারে না, তারা ভুল বুঝতে পারে। তাই দ্বীনি কথা সহজভাবে বলা, প্রয়োজনমতো ব্যাখ্যা করা এবং বিভ্রান্তি থেকে বাঁচানো শিক্ষকের দায়িত্বের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শ্রোতার বোঝার ক্ষমতা বিবেচনা করা দরকার।
- জটিল কথা ভুল বোঝাবুঝির কারণ হতে পারে।
- দ্বীনি কথা সহজ ও পরিষ্কারভাবে বলা উচিত।
- হাদিস বর্ণনায় সময়, মানুষ ও ভাষা বিবেচ্য।
