০/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮ - নির্ভরযোগ্য হলে গ্রহণ করুন
হাদীসের সানাদ বর্ণনা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত, নির্ভরযোগ্য বর্ণনা ছাড়া রিওয়ায়াত গ্রহণ করা উচিত নয়; বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরা শুধু জায়িয নয়, বরং ওয়াজিব; ওটা গীবাত নয়- যা শারী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম; ক্ষতিকারক জিনিসগুলো দূর করে শারী‘আতের বিধানসমূহ নিখুঁত ও ত্রুটিমুক্ত করা অতীব প্রয়োজন
নির্ভরযোগ্য রাবী: হাদীস গ্রহণের সহজ নীতি
সহীহ মুসলিম : ২৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، وَهُوَ ابْنُ يُونُسَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، قَالَ لَقِيتُ طَاوُسًا فَقُلْتُ حَدَّثَنِي فُلَانٌ، كَيْتَ وَكَيْتَ. قَالَ إِنْ كَانَ صَاحِبُكَ مَلِيًّا فَخُذْ عَنْهُ.
সুলাইমান ইবনু মূসা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি তাউস (রহঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম, অমুক ব্যক্তি আমাকে এরূপ এরূপ হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বললেন : যদি সে ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য হয়, তাহলে তার থেকে হাদীস গ্রহণ কর।
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় তাউস (রহঃ)-এর একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এসেছে। সুলাইমান ইবনু মূসা তাঁকে বলেন, অমুক ব্যক্তি আমাকে এমন এমন হাদীস শুনিয়েছেন। তাউস (রহঃ) উত্তর দেন: যদি সে ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য হয়, তাহলে তার কাছ থেকে হাদীস গ্রহণ কর। এখানে মূল শিক্ষা হলো, হাদীস গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তি-যাচাই গুরুত্বপূর্ণ। “নির্ভরযোগ্য রাবী”, “সিকাহ বর্ণনাকারী” এবং “হাদীস গ্রহণের নিয়ম” এই বর্ণনার প্রধান বিষয়। বর্ণনাটি খুব বেশি বিস্তারিত নয়, তাই এর ব্যাখ্যাও সরাসরি: হাদীস শোনার সময় শুধু বক্তব্য নয়, বক্তার যোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা দেখা দরকার। এতে দীনী জ্ঞান নিরাপদ থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদীস গ্রহণের আগে বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা দেখা দরকার।
- বিশ্বস্ত হলে তার কাছ থেকে জ্ঞান নেওয়া যায়।
- দীনী কথায় সূত্রের মান বক্তব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
