০/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭ - অভিযুক্ত রাবী থেকে সতর্কতা
হাদীসের সানাদ বর্ণনা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত, নির্ভরযোগ্য বর্ণনা ছাড়া রিওয়ায়াত গ্রহণ করা উচিত নয়; বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরা শুধু জায়িয নয়, বরং ওয়াজিব; ওটা গীবাত নয়- যা শারী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম; ক্ষতিকারক জিনিসগুলো দূর করে শারী‘আতের বিধানসমূহ নিখুঁত ও ত্রুটিমুক্ত করা অতীব প্রয়োজন
অভিযুক্ত রাবীর বর্ণনা গ্রহণে সতর্ক থাকার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৪৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৭
وَحَدَّثَنِي حَجَّاجٌ، قَالَ حَدَّثَنِي أَحْمَدُ، وَهُوَ ابْنُ يُونُسَ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَالْمُغِيرَةِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، أَنَّ الْحَارِثَ، اتُّهِمَ .
ইব্রাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
হারিসকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। (শিয়া মিথ্যাবাদী ও ভ্রান্ত সম্প্রদায়ের অনুসারী বলে।)
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, হারিসকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অনুবাদে ব্যাখ্যা এসেছে যে, তাকে শী‘আ, মিথ্যাবাদী ও ভ্রান্ত সম্প্রদায়ের অনুসারী বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মূল বিষয় হলো হাদিস গ্রহণে রাবীর অবস্থা জানা। কোনো রাবীর ওপর গুরুতর অভিযোগ থাকলে তার বর্ণনা গ্রহণে সতর্কতা জরুরি। এটি ব্যক্তিগত বিদ্বেষের বিষয় নয়; বরং হাদিসের নিরাপত্তার বিষয়। কারণ ধর্মীয় জ্ঞান যদি ভুল উৎস থেকে নেওয়া হয়, তাহলে তা মানুষের আমল ও বিশ্বাসে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই মুহাদ্দিসগণ রাবীদের পরিচয়, সত্যবাদিতা এবং আকীদাহ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, সহিহ হাদিস জানতে হলে শুধু পাঠ নয়, উৎস যাচাইও দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অভিযুক্ত রাবীর বর্ণনা গ্রহণে সতর্ক থাকা দরকার।
- হাদিসের নিরাপত্তার জন্য রাবীর পরিচয় জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- ভুল উৎস থেকে ধর্মীয় কথা নিলে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।
- সহিহ ইলম গ্রহণে যাচাই করা একটি জরুরি অভ্যাস।
