০/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫২ - নতুন মতবাদের আগে ও পরে রাবী
হাদীসের সানাদ বর্ণনা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত, নির্ভরযোগ্য বর্ণনা ছাড়া রিওয়ায়াত গ্রহণ করা উচিত নয়; বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরা শুধু জায়িয নয়, বরং ওয়াজিব; ওটা গীবাত নয়- যা শারী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম; ক্ষতিকারক জিনিসগুলো দূর করে শারী‘আতের বিধানসমূহ নিখুঁত ও ত্রুটিমুক্ত করা অতীব প্রয়োজন
রাবীর পরিবর্তিত অবস্থার ভিত্তিতে হাদিস যাচাই
সহীহ মুসলিম : ৫২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫২
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، قَالَ حَدَّثَنَا جَابِرُ بْنُ يَزِيدَ، قَبْلَ أَنْ يُحْدِثَ، مَا أَحْدَثَ.
মিস‘আর (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
জাবির ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) তিনি নতুন মতবাদ আবিষ্কারের আগে আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় মিস‘আর (রহঃ) বলেন, জাবির ইবনু ইয়াযীদ নতুন মতবাদ আবিষ্কারের আগে তাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছিলেন। এই কথাটি হাদিস যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়। কোনো রাবীর জীবনের সব সময় একই রকম নাও হতে পারে। তিনি কখন কী অবস্থায় ছিলেন, তার বর্ণনা কোন সময়ে নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় মুহাদ্দিসগণ লক্ষ্য করতেন। এখানে কোর টপিক হলো রাবী যাচাই ও বিদআত থেকে সতর্কতা। বর্ণনার সময় জানা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কোনো ব্যক্তি পরে ভ্রান্ত মত গ্রহণ করলে তার পরবর্তী কথায় সতর্কতা বাড়ে। এই শিক্ষা আমাদেরও কাজে লাগে—ধর্মীয় কথা কোথা থেকে, কখন এবং কার মাধ্যমে এসেছে তা যাচাই করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাবীর জীবনের সময়ভেদে তার বর্ণনা যাচাই করা হতে পারে।
- ভ্রান্ত মত প্রকাশের আগে ও পরে অবস্থার পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিস গ্রহণে শুধু নাম নয়, সময় ও অবস্থা দেখা দরকার।
- ইলম গ্রহণে সতর্কতা জ্ঞানকে নিরাপদ রাখে।
