২৮/১৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১২৩ - মুত‘আ নিষিদ্ধ ও উমর (রা)-এর সতর্কতা
মুত‘আ [১] বিবাহ
মুত‘আ বিবাহের নিষেধ: উমর (রা)-এর সতর্ক অবস্থান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১২৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১২৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّ خَوْلَةَ بِنْتَ حَكِيمٍ دَخَلَتْ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَتْ إِنَّ رَبِيعَةَ بْنَ أُمَيَّةَ اسْتَمْتَعَ بِامْرَأَةٍ فَحَمَلَتْ مِنْهُ فَخَرَجَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فَزِعًا يَجُرُّ رِدَاءَهُ فَقَالَ هَذِهِ الْمُتْعَةُ وَلَوْ كُنْتُ تَقَدَّمْتُ فِيهَا لَرَجَمْتُ.
খাওলা বিন্তে হাকিম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রবি’আ ইব্নু উমাইয়া (রাঃ) এক মুওয়াল্লাদ [১] নারীকে মুত’আ বিবাহ করেন এবং সে নারী গর্ভবতী হয়। উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) এটা শুনে ঘাবড়ে গেলেন এবং আপন চাদর টানতে টানতে বের হলেন। অতঃপর তিনি বললেন : মুত’আ নিষিদ্ধ। লোকদের মধ্যে যদি এ বিষয়ে আমি পূর্বে ঘোষণা করতাম তবে এই (মুত‘আর কারণে) ব্যভিচারীর প্রতি রজম (প্রস্তর নিক্ষেপ) করতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] মুওয়াল্লাদা: যে মহিলা আরব নয় কিন্তু তার জন্ম হয়েছে আরবে এবং আরবীয় রীতিনীতি আদব-কায়দা মুতাবিক তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রবি‘আ ইবনু উমাইয়া (রা)-এর মুত‘আ বিবাহের ঘটনা এসেছে। তিনি এক নারীকে মুত‘আ বিবাহ করেন এবং সেই নারী গর্ভবতী হন। খবরটি উমর ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কাছে পৌঁছালে তিনি খুব উদ্বিগ্ন হন এবং বলেন, মুত‘আ নিষিদ্ধ। তিনি আরও বলেন, যদি এ বিষয়ে আগে ঘোষণা করতেন, তবে মুত‘আর কারণে ব্যভিচারীর প্রতি রজম করতেন। এই হাদিসে মুত‘আ বিবাহের নিষিদ্ধতা ও সমাজে তার ক্ষতির আশঙ্কা বোঝা যায়। তবে এখানে আমাদের ব্যাখ্যা শুধু বর্ণনার সীমায় রাখা উচিত: উমর (রা) ঘটনাটি শুনে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন এবং মুত‘আকে নিষিদ্ধ বলেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুত‘আ বিবাহকে নিষিদ্ধ বিষয় হিসেবে দেখানো হয়েছে।
- সমাজে ভুল বিবাহ পদ্ধতি বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।
- ধর্মীয় বিধান স্পষ্টভাবে জানানো ও মানা—দুইটাই গুরুত্বপূর্ণ।
