২৮/২১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৩০ - ওয়ালীমার দাওয়াতে অংশগ্রহণ
ওয়ালিমা
ওয়ালীমার দাওয়াত পেলে অংশগ্রহণের নববী নির্দেশ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৩০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৩০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى وَلِيمَةٍ فَلْيَأْتِهَا.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমাদের কাউকে ওয়ালীমায় দাওয়াত করা হলে সে যেন উহাতে অংশগ্রহণ করে।
(বুখারী ৫১৭৩, মুসলিম ১৪২৯)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালীমায় দাওয়াত করা হলে সে যেন তাতে অংশগ্রহণ করে। বর্ণনাটি ছোট, কিন্তু সামাজিক জীবনের জন্য খুব দরকারি। ওয়ালীমা শুধু খাবারের আয়োজন নয়; এটি বিবাহের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি মাধ্যম। দাওয়াত গ্রহণ করলে আত্মীয়তা, বন্ধুত্ব এবং মুসলিম সমাজের সম্পর্ক ভালো থাকে। তবে হাদিসে এখানে শুধু ওয়ালীমার দাওয়াতের কথা বলা হয়েছে, তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। একজন মুসলিম যখন বৈধ ও সম্মানজনক দাওয়াত পায়, তখন অকারণে তা এড়িয়ে না গিয়ে অংশগ্রহণ করা সুন্দর আচরণ। এই শিক্ষা আমাদের সামাজিক সৌহার্দ্য বাড়াতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালীমার দাওয়াত পেলে তাতে অংশগ্রহণের নির্দেশ এসেছে।
- দাওয়াত গ্রহণ সামাজিক সম্পর্ক মজবুত করার একটি উপায়।
- বিবাহের আনন্দে অংশ নেওয়া মুসলিম সমাজের সুন্দর রীতি।
