২৮/২১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৩১ - ওয়ালীমায় মিসকিনদের অধিকার
ওয়ালিমা
ওয়ালীমায় মিসকিনদের বাদ দেওয়া: আবূ হুরায়রা (রা)-এর সতর্কতা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৩১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৩১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ كَانَ يَقُوْلُ: شَرُّ الطَّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ يُدْعَى لَهَا الْأَغْنِيَاءُ وَيُتْرَكُ الْمَسَاكِينُ وَمَنْ لَمْ يَأْتِ الدَّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللهَ وَرَسُولَهُ.
আ‘রাজ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন : সর্বাপেক্ষা মন্দ আহার হচ্ছে সেই ওয়ালীমার আহার, যেই ওয়ালীমাতে ধনী লোকদের দাওয়াত দেয়া হয় এবং মিসকিনদেরকে দাওয়াত হতে বাদ দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি দাওয়াত গ্রহণ করে না, সে অবশ্য আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের নাফরমানী করল।
(বুখারী ৫১৭৭, মুসলিম ১৪৩২)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, সবচেয়ে মন্দ আহার হচ্ছে সেই ওয়ালীমার আহার, যেখানে ধনী লোকদের দাওয়াত দেওয়া হয় এবং মিসকিনদের বাদ দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, যে ব্যক্তি দাওয়াত গ্রহণ করে না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানী করল। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, ওয়ালীমা যেন শুধু ধনী বা প্রভাবশালী লোকদের জন্য না হয়। গরিব-মিসকিনদের বাদ দিয়ে আয়োজন করলে সেটি নিন্দিত হয়। একই সঙ্গে বৈধ দাওয়াত গ্রহণের গুরুত্বও এখানে এসেছে। তাই ওয়ালীমার আদব হলো—আয়োজনের মধ্যে সামাজিক ন্যায়, দরিদ্রের প্রতি খেয়াল এবং দাওয়াতের সম্মান রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালীমায় মিসকিনদের বাদ দেওয়া নিন্দিত কাজ হিসেবে এসেছে।
- শুধু ধনীদের দাওয়াত দেওয়া ওয়ালীমার সুন্দর উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলে না।
- দাওয়াত গ্রহণের গুরুত্ব এই বর্ণনায় জোর দিয়ে বলা হয়েছে।
